add

ঢাকা, বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

অসুস্থতায় ইতেকাফ ভেঙে বাড়িতে চলে গেলে করণীয়

সরোবর প্রতিবেদক 

 প্রকাশিত: এপ্রিল ০৭, ২০২৪, ০৩:২৫ দুপুর  

প্রবিত্র মাহে রমজানের বিশেষ ইবাদত ইতেকাফ। রমজানের শেষ দশকে ইতেকাফ করা সুন্নত। দুনিয়াদারির ঝামেলা থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত হয়ে একাগ্রচিত্তে আল্লাহর ইবাদতে মশগুল হওয়া এবং বিনয় ও নম্রতায় নিজেকে আল্লাহর দরবারে সমর্পণ করা, বিশেষ করে লাইলাতুল কদরে ইবাদতের সুযোগ লাভ করাই ইতেকাফের অন্যতম উদ্দেশ্য। এ কারণে রাসুলুল্লাহ (স.) নিয়মিত ইতেকাফ করতেন।

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘রাসুলুল্লাহ (স.) প্রতি রমজানে ১০ দিন ইতেকাফ করতেন, তবে যে বছর তিনি ইন্তেকাল করেন, সে বছর তিনি ২০ দিন ইতেকাফে কাটান।’ (বুখারি: ১৯০৩; আবু দাউদ ২৪৬৩)

ইতেকাফ ভঙ্গের কারণ

১. শরিয়ত নির্ধারিত প্রয়োজনগুলো ছাড়া মসজিদ থেকে বের হওয়া।

২. স্ত্রী সহবাস করা।

৩. চুম্বন ও আলিঙ্গনের কারণে বীর্যপাত হওয়া।

৪. ধর্মচ্যুত হওয়া।

৫. মাতাল বা পাগল হওয়া।

৬. দীর্ঘ সময় অজ্ঞান হয়ে থাকা।

৭. নারীদের হায়েজ-নেফাস হওয়া।

৮. সুন্নত এবং ওয়াজিব ইতেকাফের ক্ষেত্রে স্বেচ্ছায় দিনের বেলা আহার করা।

ইতেকাফ ভেঙে বাড়িতে চলে গেলে করণীয়

ইতেকাফ শুরুর কয়েকদিন পর অসুস্থতাজনিত কারণে ইতেকাফ ভেঙে বাসায় চলে গেলে এবং পুনরায় মসজিদে না আসলে ওই ব্যক্তিকে পরবর্তীতে একদিনের ইতেকাফ কাজা করতে হবে। আর তা সামনের রমজানেও কাজা করতে পারবেন। এজন্য তিনি কোনো একদিন সূর্যাস্তের পর থেকে পরের দিন সূর্যাস্ত পর্যন্ত মসজিদে ইতেকাফ করবেন। অবশ্য রমজানের বাইরে ইতেকাফটি কাজা করতে চাইলে দিনের বেলা নফল রোজাও রাখতে হবে। (রদ্দুল মুহতার: ২/৪৪৪-৪৪৫; আহকামে ইতেকাফ: ৫০)

দৈনিক সরোবর/এনএ