ঢাকা, শুক্রবার, ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২০ মাঘ ১৪২৯

‘মূল্যবোধ বিরোধী কার্যক্রম পাঠ্যপুস্তকে মেনে নিতে পারি না’

সরোবর প্রতিবেদক  

 প্রকাশিত: জানুয়ারী ২৩, ২০২৩, ০৩:৪১ দুপুর  

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ঐহিত্যগত সংস্কৃতি ও জীবনমান মূল্যবোধ বিরোধী কার্যক্রম পাঠ্যপুস্তকে মেনে নিতে পারি না। অবিলম্বে পাঠ্যপুস্তকের অসঙ্গতিগুলো বাদ দিতে হবে। 

সোমবার  জাতীয় প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলে। 

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ‘রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের রূপরেখা’ ব্যাখ্যা বিশ্লেষণের জন্য এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ (বিএসপিপি)। 

ফখরুল বলেন, অনির্বাচিত আওয়ামী লীগ সরকার যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলতে বলতে অজ্ঞান হয়ে যায়। অথচ তাদেরকে ৭২-৭৫ সালে গণতন্ত্র হরণ করে কেন বাকশাল করতে হয়েছে জিজ্ঞাসা করলেই তাদের গায়ে আগুন লেগে যায়। আমরা স্বাধীনভাবে কথা বলতে চাই- মতপ্রকাশের স্বাধীনতা চাই, ভোটাধিকার চাই, গণতন্ত্র ফিরে পেতে চাই। নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে এখন কেউ ভোট দিতে যেতে চায় না। আজকে যে সংসদ আছে সেটা হলো একদলীয় ক্লাব অব আওয়ামী লীগ। তাই আজকে স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও আমাদেরকে গণতন্ত্র ভোটাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্য রাজপথে  প্রাণ দিতে হচ্ছে। তারপরও আমরা আমাদের অস্তিত্ব রক্ষা, দেশের মানুষকে বাঁচাতে চাই।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা একটি অসম যুদ্ধ সংগ্রাম করছি। যেখানে আমাদের প্রতিপক্ষ অত্যন্ত প্রভাবশালী। যাদের হাতে রয়েছে রাষ্ট্রশক্তিসহ বন্দুক পিস্তল গ্রেনেড, যা তারা ছুড়ে মারে আর আমাদের নামে মামলা দেয়।

তিনি বলেন, আমাদের অস্তিত্বকে টিকিয়ে রাখতে হবে। আমাদেরকে বাঁচতে হবে, আমাদের এ রাষ্ট্রকে টিকিয়ে রাখতে হবে স্বাধীনতা রাখতে হবে। মানুষগুলোর সমৃদ্ধি রাখতে হবে।

ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আওয়ামী লীগ নেতারা বলেন- গণতন্ত্র হবে তাদের মতো করে। তাদের মতো গণতন্ত্র হচ্ছে বাকশাল। বাংলাদেশের মানুষ কথা বলতে চায়, কথার বিষয়ে তারা কোনো ছাড় দেয় না। স্বাধীনতার ব্যাপারে কোনো ছাড় দেয় না, তারা অধিকার আদায় কোনো ছাড় দেয় না। যে ঢেউ শুরু হয়েছে উত্তাল তরঙ্গের মতো, সমুদ্রের মতো এরা ভেসে যাবে। 

সংগঠনের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব কাদের গণি চৌধুরীর সঞ্চালনায় এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন— সাংবাদিক নেতা কামাল উদ্দিন সবুজ, শহিদুল ইসলাম, প্রফেসর শহিদুল হাসান, ড. বোরহান উদ্দিন প্রমুখ।