add

ঢাকা, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

আনার হত্যার পেছনে হুন্ডি, ড্রাগস ও স্বর্ণ চোরাচালান! 

সরোবর ডেস্ক 

 প্রকাশিত: মে ২৩, ২০২৪, ০৮:৩৭ রাত  

বৃহস্পতিবার দেশের প্রায় সকল দৈনিকের প্রধান খবর হলো এমপি আনারের হত্যাকাণ্ড। মানবজমিন পত্রিকার প্রধান শিরোনাম-‘কলকাতায় খুন বাংলাদেশি এমপি আনার, নেপথ্যে কী?’‒ এখানেও বলা হয়েছে যে এমপি আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়ে থাকতে পারেন, এমন শঙ্কা আগে থেকেই ছিল। আকার ইঙ্গিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারের বিভিন্ন সূত্র থেকে এমনটি বলা হয়েছিল। পরিবার-আত্মীয়স্বজন ও তার অনুসারীরাও কিছুটা উদ্বিগ্ন ছিলেন। দুই দেশের পুলিশের মধ্যেও এ নিয়ে তথ্য চালাচালি চলছিল। সবকিছু ছাপিয়ে বুধবার খবর এলো যে তিনি আর বেঁচে নেই। সরকারের তরফ থেকে বলা হয়েছে, পরিকল্পিতভাবে আজিমকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, এমপি’র মরদেহ এখনও উদ্ধার হয়নি।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, এমপি খুনের পেছনে কী কারণ রয়েছে, সে বিষয়ে এখন মুখ খুলছেন না তদন্তসংশ্লিষ্টরা। এ ঘটনায় যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের বরাত দিয়েও কিছু জানানো হয়নি। তবে একাধিক সূত্র থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে আনোয়ারুল আজীম হত্যাকাণ্ডের পেছনে হুন্ডি, ড্রাগস ও স্বর্ণ চোরাচালানের মতো বিষয় জড়িত থাকতে পারে। এ নিয়ে তার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে কিছু মানুষের দ্বন্দ্ব চলছে। বলা হচ্ছে, এসব কারবারে বহু বছর ধরে একক আধিপত্য বিস্তার করে আসছেন আজিম।

এছাড়া, রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কারণেও তিনি খুন হতে পারেন বলে সন্দেহ করছেন তদন্তসংশ্লিষ্টরা। কারণ একেবারে প্রান্তিক পর্যায় থেকে উঠে এসে তিনি এখন টানা তিনবারের এমপি। ‘৫ কোটিতে খুন, নেপথ্যে সোনা’‒এটি আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এতে বলা হয়েছে, ভারতে গিয়ে নিখোঁজ ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আনোয়ারুল আজীম আনারের হত্যাকাণ্ডের পেছনে সোনা কারবারের টাকা লেনদেন নিয়ে বিরোধ থাকতে পারে। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও কলকাতা পুলিশ এমনটাই সন্দেহ করছেন।

কলকাতার নিউ টাউনের অভিজাত আবাসিক এলাকার সঞ্জীবা গার্ডেনসের একটি ফ্ল্যাটে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয় তাকে। হত্যার পর মরদেহ টুকরা টুকরা করে অজ্ঞাতনামা স্থানে গুম করে ফেলেছে খুনিরা। এ ঘটনায় পুলিশ ঢাকার মোহাম্মদপুর ও সাভার থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তারা পাঁচ কোটি টাকার চুক্তিতে কলকাতায় ভাড়াটে খুনি হিসেবে কাজ করেছেন। পুরো কিলিং মিশনে নেতৃত্ব দেন আমানউল্লাহ নামের একজন। তাকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় দায়ের করা মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। দুই দেশের পুলিশের সন্দেহ, ছোটবেলার বন্ধু ও ব্যবসায়িক অংশীদার আক্তারুজ্জামান শাহীনের পরিকল্পনায় এই হত্যাকাণ্ড হয়। খুন করার আগে বিলাসবহুল একটি ফ্ল্যাট ভাড়া করে দেশ থেকে ছয়জনের একটি কিলিং স্কোয়াড নিয়ে যান তিনি। পরে ব্যবসায়িক আলোচনা করতে ফ্ল্যাটে ডেকে এমপি আনোয়ারুল আজীমকে হত্যা করা হয়। এরপর উবার ভাড়া করে টুকরা টুকরা করে সেই লাশ ট্রলিতে ভরে গুম করেন কিলিং মিশনের সদস্যরা। ‘অর্থনীতি ঠিক করার দাওয়াই মানুষের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে’‒সমকাল পত্রিকার এই দ্বিতীয় প্রধান শিরোনামে বলা হয়েছে যে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে বাজারে গিয়ে হাপিত্যেশ করছে সাধারণ মানুষ। দুই বছর ধরে সরকারি হিসাবেই মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশের কাছাকাছি। কিন্তু আশানুরূপ বিনিয়োগ না বাড়ায় সেভাবে কর্মসংস্থানও বাড়েনি। মূল্যস্ফীতির বিবেচনায় অধিকাংশ মানুষের প্রকৃত আয় কমেছে।

এই কষ্টের মূল কারণ অর্থনীতির দুরাবস্থা। অর্থনীতি ঠিক করতে খারাপ সময়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। যেমন, ডলারের দর বাড়ানো হয়েছে, সুদহার বাড়ানো হয়েছে, আমদানি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। ভর্তুকি কাম্নোর জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। এসবের ফলে জিনিসপত্রের দামের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে এবং নিম্ন আয়ের মানুষকে দুশ্চিন্তায় ফেলছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে যদিও বলা হচ্ছে, অর্থনীতিতে কিছু কঠোর পদক্ষেপের কারণে মূল্যস্ফীতি হয়তো সাময়িকভাবে বাড়বে, তবে পরবর্তীতে তা কমে আসবে। তবে এ আশাবাদ কতটুকু বাস্তবে রূপ নিবে, তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে।
 
‘Draft rail law allows private train service’‒এটি নিউ এজ পত্রিকার দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম। এখানে বলা হয়েছে, যাত্রী, পণ্য এবং পার্সেল বহনের জন্য বেসরকারি সংস্থাগুলোকে নিজেদের রোলিং স্টক (বগি-ইঞ্জিন) রাখার বিধান রেখে বাংলাদেশ রেলওয়ে বিল ২০২৪ -এর খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। সেই খসড়ায় বলা হয়েছে, বেসরকারি কোম্পানিগুলোকে রেলপথ, সিগন্যাল এবং অন্যান্য ভৌত অবকাঠামো ব্যবহার করার অনুমোদন দেবে বাংলাদেশ রেলওয়ে। তবে সুশাসন বিশেষজ্ঞরা বলেছেন যে সড়ক পরিবহন খাতে দেখা জিম্মি পরিস্থিতি এড়াতে বেসরকারি সংস্থাগুলোকে ট্রেন পরিষেবা দেওয়ার অনুমতি দেওয়ার বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সতর্ক হওয়া উচিৎ।

‘বাংলাদেশে শেভরনের গ্যাসের মজুদ বেড়েছে ৪৮১ বিসিএফ’‒ এটি বণিক বার্তা পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এখানে বলা হয়েছে, দেশের জাতীয় গ্রিডে দৈনিক গ্যাস সরবরাহের ৪১ শতাংশ আসে বিবিয়ানা, জালালাবাদ ও মৌলভীবাজার গ্যাস ক্ষেত্র থেকে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কোম্পানি শেভরন পরিচালিত এ তিন গ্যাস ক্ষেত্রের প্রাক্কলিত মজুদ শেষ পর্যায়ে। মজুদ বাড়াতে প্রতিষ্ঠানটি কূপ খননসহ নানা সংস্কার কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। এতে মজুদ কতটুকু বেড়েছে, সে বিষয়ে শেভরন কিংবা পেট্রোবাংলার কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে সম্প্রতি শেভরন জানিয়েছে, বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠানটির ক্ষেত্রগুলোয় গ্যাসের মজুদ বেড়েছে প্রায় আধা ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ)। মার্কিন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে জমা দেয়া শেভরন করপোরেশনের ২০২৩ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়, রিজার্ভের ব্যবস্থাপনার ফলে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠানটির আওতাধীন ক্ষেত্রে গ্যাসের মজুদ বেড়েছে ৪৮১ বিলিয়ন ঘনফুট (বিসিএফ)। তবে কোন গ্যাস ক্ষেত্রে এ মজুদ কী পরিমাণে বেড়েছে, তা প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।
 
‘সিইসির ধারণার চেয়ে ৮ শতাংশ বেশি ভোট!’‒ দেশ রূপান্তর পত্রিকার দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম এটি। এতে বলা হয়েছে, দেড় দশকের মধ্যে এবারের উপজেলা নির্বাচনে ভোট পড়ার হার সবচেয়ে কম।

গত মঙ্গলবার ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপের ভোটগ্রহণে ১৫০ উপজেলায় ভোট পড়েছে ৩৭ দশমিক ৬৭ শতাংশ। যদিও ভোটের দিন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ধারণা দিয়েছিলেন যে ৩০ শতাংশ ভোট পড়তে পারে। প্রথম ধাপের নির্বাচন হয় গত ৮ মে। ওইদিন ভোট পড়েছিল মাত্র ৩৬ দশমিক ১ শতাংশ। প্রথম ধাপে ভোটার কম হওয়ার জন্য বৃষ্টি ও ধান কাটার মৌসুমকে দায়ী করেছিলেন সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল। ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ায় বেশ সমালোচনায় পড়তে হয় নির্বাচন কমিশনকে। উপজেলা নির্বাচনের ভোটের খরা কাটাতে দ্বিতীয় দফায় নেওয়া হয় ব্যাপক প্রস্তুতি। সিইসির মতে, কম ভোটার উপস্থিতির অন্যতম কারণ হলো একটা বড় রাজনৈতিক দল প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়ে ভোট বর্জন করেছে।

‘আবাসিক হলে ‘ছায়া বাহিনী’ ছাত্রলীগের’ ‒এটি প্রথম আলো পত্রিকার দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম। এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১টি হলে ‘দায়িত্বপ্রাপ্ত’ নেতাদের দাপট চলছে। মূলত, ছাত্রদের সব হলে ছাত্রলীগের কমিটি থাকা সত্ত্বেও আস্থাভাজনদের দিয়ে ‘দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা’ নামে নতুন এক পদ সৃষ্টি করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান (বাবু) ও সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লা-হিল-গালিব। গত বছরের অক্টোবরে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নতুন কমিটি গঠনের পর প্রতিটি হলে দুজন করে ‘দায়িত্বপ্রাপ্ত’ নেতা দেওয়া হয়। এর পর থেকে এ পর্যন্ত বিভিন্ন হলে তিনজনকে মারধর, চারজনকে হল থেকে বের করে দেওয়া, দুটি দোকানে চাঁদাবাজি, এক শিক্ষার্থী ও দলীয় এক নেতাকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমন আরও অভিযোগ আছে, যা ভয়ে শিক্ষার্থীরা প্রকাশ করেন না। এ ছাড়া নিজেদের মধ্যে হাতাহাতি, মহড়া ও সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। এতে করে হল প্রশাসন, এমনকি ছাত্রলীগ নেতারাও অসহায় অবস্থায় আছে। ‘২৪ বছর পর প্রকাশ্যে টপ টেরর, এলাকায় আতঙ্ক’‒ যুগান্তর পত্রিকার প্রথম পাতার দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম এটি। এখানে বলা হয়েছে, অপরাধ জগতের শীর্ষ সন্ত্রাসী দেওয়ান মো. বদরুল আলম গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দেশে ফেরেন এবং ইদানীং তিনি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন।

এই বদরুল আলম সন্ত্রাসী গ্রুপ সেভেন স্টারের পৃষ্ঠপোষক। সরকার ঘোষিত ২৩ শীর্ষ সন্ত্রারী সুব্রত বাইন ছিলেন তার সহযোগী। সোহেল, হারুন, মতিন এবং আলমসহ বেশ কয়েকটি হত্যা মামলার আসামি বদরুলের বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় রয়েছে অসংখ্য সন্ত্রাসী কার্যকলাপের অভিযোগ। কুখ্যাত সন্ত্রাসী এরশাদ শিকদারের ক্যাডার ছিলেন বদরুল।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টার্গেট কিলিংয়ের আগে বদরুল বৈধ পাসপোর্ট নিয়ে চলে যেতেন ভারতে। পরে চোরাই পথে দেশে ঢুকে নেতৃত্বে দিতেন হত্যাকাণ্ডে। মিশন শেষে আবার চোরা পথেই চলে যেতেন ভারত। কয়েকদিন পর আবার বৈধ পাসপোর্টে দেশে ফিরতেন। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা হলে তিনি আদালতে তথ্য-উপাত্ত দিতেন যে, ‘ঘটনার সময় তিনি দেশেই ছিলেন না।’ আদালতও কাগজপত্র দেখে তাকে জামিন দিয়ে দিতেন। একের পর এক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঘটিয়ে এভাবেই তিনি পার পেয়ে যেতেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ২০ বছর তিনি ছিলেন দেশের বাইরে। সরকারের সঙ্গে ‘সমঝোতা’ করেই তিনি সম্পতি দেশে ফিরেছেন।

‘Black money whitening may return in FY25 – this time for just 15% tax’‒ দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি। এখানে বলা হয়েছে, আগামী অর্থবছরে অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করার একটি সুযোগ আসতে পারে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র বলছে যে ফ্ল্যাট ১৫ শতাংশ কর প্রদানের মাধ্যমে আগামী অর্থবছরে কালো টাকাকে বৈধতা দেওয়ার জন্য একটি বিধান অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে বিবেচনা করা হয়েছে।

এই প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, যারা কর প্রদানের মাধ্যমে অপ্রদর্শিত অর্থ সাদা করবেন তাদের অ্যামনেস্টি দেয়া হতে পারে। অর্থাৎ অর্থ কোনো সরকারি সংস্থা অর্থের উত্স সম্পর্কে প্রশ্ন তুলবে না। এর আগে, ২০২০-২১ অর্থবছরে, সরকার কালো টাকাকে ১০ শতাংশ কর প্রদান সাপেক্ষে বৈধ করার অনুমতি দেয়।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য বলছে, সেই অর্থবছরে মোট ১১ হাজার ৮৩৯ জন ব্যক্তি প্রায় ২০ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বৈধ করেছে- যা এক বছরে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ এবং এনবিআর সেই বিনিয়োগ থেকে ২ হাজার ৬৪ কোটি টাকা রাজস্ব পেয়েছে। তথ্যসূত্র: বিবিসি নিউজ বাংলা

দৈনিক সরোবর/এএস