add

ঢাকা, সোমবার, ২২ জুলাই ২০২৪, ৭ শ্রাবণ ১৪৩১

পিএসসির ৩০ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস!

 সরোবর ডেস্ক

 প্রকাশিত: জুলাই ০৯, ২০২৪, ০৯:২৩ রাত  

নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম-পিএসসি কর্মকর্তাসহ গ্রেফতার ১৭। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিসিএস পরীক্ষাসহ পিএসসির পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে পিএসসির চেয়ারম্যানের সাবেক গাড়িচালকসহ ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। এদের মধ্যে পিএসসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও আছেন। সরকারি কর্ম কমিশন- পিএসসির প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় ১৭ জনকে গ্রেফতার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডি।

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের -বিসিএস পরীক্ষাসহ ৩০টি নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের গ্রেফতার করা হয়। সিআইডির তথ্যমতে, প্রশ্ন ফাঁসকারী চক্রটি গত পাঁচই জুলাই অনুষ্ঠিত রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলীন নিয়োগ পরীক্ষাকে বেছে নেয়। এ পরীক্ষা যে প্রশ্নে অনুষ্ঠিত হয় তার একটি কপি পরীক্ষার অন্তত এক ঘণ্টা আগে প্রার্থীদের হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো হয়।

আর অজ্ঞাত স্থানে রেখে চুক্তিবদ্ধ শিক্ষার্থীদের আগের রাতেই পড়ানো হয়। এছাড়া ৪৫ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রশ্নও ফাঁস করা হয়। রবিবার রাতে ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। অভিযান এখনো চলছে বলে জানিয়েছে সিআইডি। রবিবার রাতে বাংলাদেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর সাঁড়াশি অভিযানে নামে সিআইডি।
 
কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে সমকালের প্রধান শিরোনাম-‘এবার আসছে সারাদেশে দিনভর সর্বাত্মক ব্লকেড’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনে এক দফা দাবিতে এতদিন আধা বেলা ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্লকেড কর্মসূচি পালন করলেও বুধবার থেকে সারাদেশে পুরো বেলা সর্বাত্মক ব্লকেড কর্মসূচি পালনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

এর অংশ হিসেবে মঙ্গলবার অনলাইনে ও অফলাইনে গণসংযোগ করার কথা জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি ছাত্র ধর্মঘট ক্লাস বর্জন কর্মসূচি চলবে। সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার নিয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও সৃষ্ট সমস্যা দ্রুত সমাধান হবে বলে আশা করছে সরকার। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এ বিষয়ে সমাধান আসতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। এই আন্দোলনে বিএনপি'র সমর্থন নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাদের রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলার সিদ্ধান্ত হয়েছে। একই সঙ্গে কোটা সংস্কার আন্দোলন মোকাবিলায় কিছু কৌশল নির্ধারণ করেছেন সরকার।

শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলন ও সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি ‘প্রত্যয়’ বাতিলে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের আন্দোলনের মধ্যেই বৈঠকে বসেছিলেন সরকারের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা।

সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা একটি যৌক্তিক পর্যায়ে রাখার ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন মন্ত্রীয় নেতারা। বৈঠক শেষে তারা সংবাদ কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেননি তবে একাধিক সূত্রে জানা যায় বৈঠকে কোটা সংস্কার ও শিক্ষক আন্দোলনের নানা দিক এবং করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। একই ইস্যুতে দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম-আইনি পথে সমাধান সন্ধান। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোটাবিরোধী ছাত্র আন্দোলন থামাতে আপাতত আইনি পথেই এগোনোর চিন্তা করছে সরকার।

মুক্তিযোদ্ধা কোটা পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় আপিলে স্থগিত করার আইনি ফাঁকফোকর বের করার পথ খুঁজতে ক্ষমতাসীন দলের পক্ষ থেকে আইনমন্ত্রী আনিসুল হককে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এজন্য প্রধান বিচারপতির সঙ্গে পরামর্শ করার সুযোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে পেনশন স্কিম নিয়ে আন্দোলনরত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কথা শোনার পর যৌক্তিক সমাধান বের করতে শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ও প্রতিমন্ত্রী শামসুন নাহার চাঁপাকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দুটি ইস্যুতে প্রায় এক ঘণ্টা রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন নেতারা। এসময় দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এসব পরামর্শ দেন। বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় ছিল কোটাবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং নতুন পেনশন স্কিম নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের আন্দোলন সামাল দেওয়া নিয়ে কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ।
 
প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর নিয়ে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম-গুরুত্ব পাবে ভূরাজনীতি ও সম্পর্কের উত্তরণ। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবার চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং এবং প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে ভিন্ন এক প্রেক্ষাপটে পৃথক আলোচনায় বসতে যাচ্ছেন। বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব পিপলে মঙ্গলবার সকালে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হবে। বিকেলে একই স্থানে আলোচনা হবে প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে।

গত এক দশকে দুই দেশের সম্পর্কের গুণগত উত্তরণ ঘটেছে। চীন তাদের বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগে বাংলাদেশ যুক্ত করেছে। পদ্মা রেলসেতু ও বঙ্গবন্ধু টানেলের মতো বড় প্রকল্পও হয়েছে চীন অর্থায়নে। তবে এবার বেইজিংয়ে দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পাশাপাশি পরিবর্তিত সমকালীন ভূরাজনীতি আর ভূ–অর্থনীতি গুরুত্ব পাবে।

কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে বলা হচ্ছে, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর আলোচনায় অর্থনৈতিক সহযোগিতা প্রাধান্য পাবে। সেইসাথে সামগ্রিকভাবে সম্পর্কের গুণগত পরিবর্তনে ‘নিবিড় কৌশলগত অংশীদারত্বে’ উত্তরণের ঘোষণা আসতে পারে। বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের সমন্বিত উন্নয়নের উদ্যোগে চীনের যুক্ত হওয়ার বিষয়ে আলোচনার কথা রয়েছে।

চীনে বাণিজ্য, ব্যবসা ও বিনিয়োগ সামিট প্রসঙ্গে নয়া দিগন্তের প্রথম পাতার খবর-প্রত্যাশিত ঋণ ও বিনিয়োগ এলে শক্তিশালী হবে রিজার্ভ। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ বাণিজ্য সুবিধা পেলেও এখনো চীনের সাথে বাণিজ্যঘাটতি অনেক বেশি।

চীন থেকে সাম্প্রতিক সময়ে ১৭ দশমিক ৮২ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিভিন্ন পণ্য আমদানি করলেও রফতানি এক বিলিয়ন ডলারেরও কম। বিশাল এই বাণিজ্যঘাটতি কমিয়ে আনা, বাংলাদেশে অবকাঠামোসহ বিভিন্ন খাতে চীনের বিনিয়োগ বৃদ্ধি, শিল্প স্থাপন, সাত বিলিয়ন ডলারের ঋণসহায়তা ও দ্বিপক্ষীয় কৌশলগত সম্পর্ক উন্নয়নে এখন চীন সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

চীনে সোমবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে বাংলাদেশের ব্যবসা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সামিট। আগামীকাল দু’দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য বৈঠক এবং ২০টির মতো সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে। এ নিয়ে অর্থনীতিবিদরা বলেন, এই সফরে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে যদি প্রত্যাশিত (সাত বিলিয়ন ডলার) ঋণ সহযোগিতা পায় তাহলে আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ানোর ক্ষেত্রে তা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

সেইসাথে বাংলাদেশের প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে চীনের ঋণ সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে তারা জানান। ধারণা করা হচ্ছে বাংলাদেশের পাঁচ বিলিয়ন ডলার ঋণ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ঋণের সন্ধান বা উন্নয়ন সহযোগীদের খুঁজছে। চীন বিভিন্ন দেশে ঋণ প্রদান করছে। কারণ তাদের পর্যাপ্ত পরিমাণে অর্থ উদ্বৃত্ত রয়েছে। আঞ্চলিক বিবেচনায় বাংলাদেশ চীনের বড় একটা রফতানির উৎস।

নতুন পেনশন স্কিম নিয়ে নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম-Govt plans late feasibility study. অর্থাৎ, ‘সরকার বিলম্বিত সম্ভাব্যতা সমীক্ষার পরিকল্পনা করছে’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নতুন পেনশন স্কিম নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রতিবাদের মধ্যে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক থেকে আড়াইশ মিলিয়ন ডলার ঋণ করতে যাচ্ছে সরকার।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের মতে, একটি সম্ভাব্যতা সমীক্ষাসহ প্রস্তাবিত সাড়ে তিন বছরের প্রকল্পটি পেনশন কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় শক্তি দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। জাতীয় বাজেটে পেনশন বরাদ্দের ক্রমবর্ধমান বোঝা কমানোর জন্য পেনশন কর্তৃপক্ষ বর্তমান নন-কন্ট্রিবিউটরি থেকে কন্ট্রিবিউটরি পেনশন সিস্টেমের দিকে যাচ্ছে। মাত্র ১১ বছরের মধ্যে, জাতীয় বাজেটে পেনশন এবং গ্র্যাচুইটি সুবিধার জন্য বরাদ্দ তিনগুণেরও বেশি বা ৪০ হাজার কোটি টাকার মতো হয়েছে যা আর্থিক ব্যবস্থাপনার উপর চাপ বাড়াচ্ছে৷

অর্থনীতিবিদরা নতুন পেনশন প্রকল্প বাস্তবায়নকে ঘিরে অনিশ্চিত পরিস্থিতির পেছনে সরকারের প্রস্তুতির অভাব এবং সম্ভাব্যতা সমীক্ষার অনুপস্থিতিকে দায়ী করেছেন। রেল দুর্ঘটনা নিয়ে বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রথম পাতার খবর-রেললাইনে ছিন্নভিন্ন ছয় লাশ, মৃত্যু নিয়ে রহস্য। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নরসিংদীর রায়পুরায় পৃথকভাবে ট্রেনে কাটা পড়ে ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে।

নিহত সকলেই পুরুষ। তাদের বয়স আনুমানিক ১৫ থেকে ২৫ এর মধ্যে হবে বলে জানিয়েছেন রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। সবগুলো মরদেহ কাছাকাছি হওয়ায় মৃত্যুর কারণ নিয়ে জনমনে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে রেল পুলিশ, পিবিআই পুলিশ, সিআইডি পুলিশ, রায়পুরা ও জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল এসে মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে কাজ শুরু করে। এদিকে নিহত একজনের পরিচয় পাওয়া গেলেও বাকিদের পরিচয় মেলেনি। লাশের পরিচয় শনাক্ত করতে মরদেহের ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

সর্বশেষ স্টেশনে থাকা সিসিটিভির ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়। সেখানে দেখা যায়, একটি ট্রেনের ছাদে কয়েকজন যাত্রী ছিল। সেই যাত্রীরাই কি মারা গেছেন কি না সেটি নিশ্চিত হতে পারেনি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। নরসিংদীর রায়পুরা একটি টেঁটাযুদ্ধ প্রবণ এলাকা। এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোনো পক্ষ নিহতদের হত্যার পর লাশ রেল লাইনে ফেলে গেছে কি না সেটিও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

ইউরোপে জনবল পাঠানোর প্রসঙ্গে মানবজমিনের প্রথম পাতার খবর-ট্যালেন্ট পার্টনারশিপ চুক্তি সই: দক্ষ জনবল যাবে ইউরোপে। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ‘ট্যালেন্ট পার্টনারশিপ উইথ বাংলাদেশ’- নামে ঢাকার একটি চুক্তি সই হয়েছে।

চুক্তিটি অর্থনৈতিকভাবে অভিবাসী ও তাদের পরিবারের উপকারে আসবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলি। সোমবার ঢাকায় চুক্তি সই অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব ড. মোহাম্মদ নজরুল ইসলামসহ ইউরোপীয় কূটনীতিকরা বক্তব্য রাখেন।

পররাষ্ট্র সচিব (ভারপ্রাপ্ত) ড. ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, আইসিটি, নার্সিং ও কেয়ারগিভিং, আতিথেয়তা ও পর্যটন, নির্মাণ, পরিবহন ও সরবরাহ,গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল, কৃষি ও কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, জাহাজ নির্মাণ ইত্যাদি খাতে ইইউ সদস্য দেশগুলোতে দক্ষ জনশক্তি সরবরাহের বিপুল সম্ভাবনা দেখছি আমরা। ইউরোপে দক্ষ জনবলের সংকট রয়েছে। আমরা এটা পূরণ করতে চাই। ট্যালেন্ট পার্টনারশিপ প্রকল্প বাংলাদেশে প্রযুক্তিগত ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের মানোন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে বলে তিনি মনে করেন। এতে কেবল ২৭ রাষ্ট্রের জোট ইইউতেই নয়, গোটা ইউরোপ তথা বিশ্ববাজারে বাংলাদেশি তারুণ্যের কর্মসংস্থানের অপার সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত করবে।

রফতানি গরমিল নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম-পাঁচ বছরে ৩৬ হাজার কোটি টাকার নগদ প্রণোদনায় রফতানি গরমিলের প্রভাব আছে। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, রফতানির বিপরীতে গত পাঁচ অর্থবছরে মোট ৩৬ হাজার ৫১১ কোটি টাকার নগদ প্রণোদনা দেয়া হয়েছে। গত পাঁচ অর্থবছরে রফতানি আয় পরিসংখ্যানের পার্থক্য ক্রমেই স্ফীত হতে দেখা গেছে।সাধারণত রফতানিতে প্রণোদনা পাওয়ার জন্য রফতানি মূল্য প্রত্যাবাসিত হওয়ার ১৮০ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রমাণসহ সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে আবেদন করতে হয়।

এক্ষেত্রে আবেদন পাওয়ার পর ব্যাংকের পক্ষ থেকে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট ফার্মের মাধ্যমে নিরীক্ষার উদ্যোগ নেয়া হয়। এ নিরীক্ষা শেষে দেয়া সনদের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক রফতানিকারককে নগদ সহায়তার অর্থ বিতরণ করে।দেশের আর্থিক খাতের বেশ কয়েকটি আলোচিত ঋণ কেলেঙ্কারির ঘটনায় রফতানি আয়ের প্রণোদনার ক্ষেত্রেও অনিয়মের ঘটনা দেখা গেছে। এক্ষেত্রে নিরীক্ষকের জাল সার্টিফিকেটের মাধ্যমে প্রণোদনার অর্থ তছরুপের নজিরও রয়েছে। রফতানি আয়ের হিসাব সংশোধনের কারণে প্রকৃত আয় কমে যাওয়ায় এ খাতে নগদ প্রণোদনার বিষয়টিও পর্যালোচনা করে দেখার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তথ্যসূত্র: বিবিসি নিউজ বাংলা

দৈনিক সরোবর/এমএস