add

ঢাকা, সোমবার, ২২ জুলাই ২০২৪, ৭ শ্রাবণ ১৪৩১

বেনজীরের গুলশানের ৪ ফ্ল্যাট ক্রোক

সরোবর প্রতিবেদক 

 প্রকাশিত: জুলাই ০৮, ২০২৪, ০৮:৪৫ রাত  

গুলশানের র‍্যাংকন আইকন টাওয়ারের ডুপ্লেক্স ফ্ল্যাট সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের স্ত্রী জিশান মীর্জা ও তাঁর ছোট মেয়ের নামে ছিল। এবার সেই ফ্ল্যাটটি ক্রোক করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এর আগে গতকাল রবিবার তাঁর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের বাংলো বাড়ি ক্রোক করা হয়।

সোমবার দুদক সচিব খোরশেদা ইয়াসমীন সংবাদ মাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

দুদক সচিব বলেন, বেনজীর আহমেদের গুলশানের চারটি ফ্ল্যাটের সমন্বয়ে যে ডুপ্লেক্স ফ্ল্যাট রয়েছে, সেটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমাদের একজন কর্মকর্তাকে রিসিভার নিয়োগ করা হয়েছে। সোমবার ঢাকা জেলা প্রশাসনের কার্যালয় থেকে একজন ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ও দুদকের একজন পরিচালকসহ একটি টিম বাড়িটির সবকিছুর ইনভেনটরি (তালিকা) করে ডুপ্লেক্সটি সিলগালা করে। পরে সেগুলো তাঁরা কমিশনে জমা দেবেন।

গত ৩০ জুন বেনজীর আহমেদের স্ত্রী–কন্যাদের নামে থাকা গুলশানের ৪টি ফ্ল্যাটের তালা খুলতে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের আবেদন করে দুদক। সংস্থাটির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন। এর আগে ৬ জুন ফ্ল্যাট চারটি ক্রোক করার আদেশ দেন মহানগর বিশেষ জজ আদালত।

তবে দুদকের দুই দফা তলবে বেনজীর ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা সাড়া দেয়নি। তৃতীয়বার তলবের আইনি সুযোগ না থাকায় গত ২ জুলাই বেনজীর আহমেদ, তাঁর স্ত্রী জিশান মীর্জা, বড় কন্যা ফারহীন রিশতা বিনতে বেনজীর ও মেজো কন্যা তাহসীন রাইসা বিনতে বেনজীরের নামে থাকা স্থাবর–অস্থাবর সম্পদের তথ্য চেয়ে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ দেয় সংস্থাটি।

দুদকের তদন্ত সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, সম্পদ বিবরণী দাখিলের জন্য দুই দফা সুযোগ থাকে অভিযুক্তদের কাছে। প্রথম দফায় ২১ কর্মদিবস। এই সময়ে সম্পদ বিবরণী দাখিলে ব্যর্থ হলে আরো ১৫ দিন সময় দেওয়ার বিধান রয়েছে। তবে দ্বিতীয় দফা সম্পদ বিবরণী দাখিলে ব্যর্থ হলে অভিযুক্তদের ‘নন সাবমিশন’ ও জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলা করতে পারবে।

বেনজীর আহমেদের অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিষয়টি গণমাধ্যমে এলে গত ১৮ এপ্রিল দুদক তাঁর অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়। একই সঙ্গে তাঁর অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধানে তিন সদস্যের একটি টিম গঠন করে। টিমে নেতৃত্বে রয়েছেন দুদকের উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম।

দৈনিক সরোবর/এমএস