add

ঢাকা, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ৩০ চৈত্র ১৪৩০

বেনজীরের নজীরবিহীন দখলদারি

সরোবর ডেস্ক 

 প্রকাশিত: এপ্রিল ০২, ২০২৪, ০৮:২৬ রাত  

বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের সম্পদ এবং দায়িত্বকালে নানা অনিয়ম নিয়ে কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম-‘বনের জমিতে বেনজীরের রিসোর্ট’। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজীপুর সদর উপজেলায় ১৬০ বিঘা জমির ওপর বিস্তৃত ভাওয়াল রিসোর্টের এক-চতুর্থাংশ শেয়ারের মালিকানা বেনজীরের পরিবারের হাতে। রিসোর্টের একটি বড় অংশই বনের জমি জবর দখল করে গড়ে তোলা হয়েছে কালের কণ্ঠ’র অনুসন্ধানে এমন তথ্য উঠে আসার কথা বলা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে নেপথ্যে থেকে বেনজীর আহমেদ সাহস জুগিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। রীতিমতো পুলিশি পাহারা বসিয়ে বনের জমিতে সীমানা প্রাচীর লাগিয়ে রিসোর্টের কাজ শুরু হয়েছিল বলে জানিয়েছে বন বিভাগের কর্মকর্তা ও স্থানীয় বাসিন্দারা। সে সময় বেনজীর আহমেদ ছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডিএমপি কমিশনার হিসেবে প্রভাবশালী হওয়ার সুবাদে রিসোর্টের ২৫ শতাংশ শেয়ারের মালিকানা নেন তিনি। এখানেও তিনি নিজের নাম ব্যবহার না করে স্ত্রী জীশান মীর্জা, দুই মেয়ে ফারহিন রিসতা বিনতে বেনজীর ও তাহসিন রাইসা বিনতে বেনজীরের নামেই রিসোর্টের শেয়ার কেনেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

বুয়েটে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে সমকালের প্রধান শিরোনাম-‘বুয়েটে ফিরছে রাজনীতি’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নিষিদ্ধ ঘোষণার চার বছর পাঁচ মাস ২১ দিন পর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) আবার ফিরছে ছাত্র রাজনীতি। গতকাল সোমবার ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের আদেশ স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। ফলে বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি করতে আপাতত বাধা নেই।

বুয়েট অ্যালামনাইয়ের সভাপতি ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক আইনুন নিশাত বলেন, আমার দুঃখ লাগছে, বুয়েটের ক্যারেক্টার বদলে গেল। প্রথা বলে একটা বিষয় রয়েছে, আইন যা-ই থাকুক।

অবশ্য বুয়েট সিন্ডিকেট সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেছেন, রাজনীতি থেকে যদি শিক্ষার্থীদের বিচ্ছিন্ন করা হয়, তাহলে তাদের মধ্যে মানবিক গুণাবলি থাকবে না। তারা অমানবিক হয়ে পড়বে, এটা কাম্য নয়।

আন্দোলনের নামে বুয়েটে অচলাবস্থা সৃষ্টির দায়ে সাধারণ শিক্ষার্থীর নামে হিজবুত তাহ্রীর, শিবির ও উগ্র মৌলবাদের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক নেতারা। এ সময় পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেন তারা।

ছাত্র রাজনীতি নিয়ে যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম-‘পথ হারাচ্ছে ছাত্র রাজনীতি’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সাধারণ শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের মুখে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের আলোচনা নতুন করে সামনে এসেছে। ছাত্র সংগঠনগুলোর এক শ্রেণির নেতা-কর্মীর অনৈতিক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সাধারণ শিক্ষার্থীদের ছাত্র রাজনীতি বিমুখ করছে। আদর্শিক ভিত নড়বড়ে থাকায় নতুন কর্মী তৈরি করতে পারছে না বেশির ভাগ সংগঠন। অথচ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সব আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিল ছাত্র রাজনীতি। কিন্তু অন্তত এক ডজন ছাত্র সংগঠন বর্তমানে ব্যানারসর্বস্ব হয়ে পড়েছে। ছাত্রবান্ধব কর্মসূচি তো নয়ই, তারা নিয়মিত নিজেদের সাংগঠনিক সভাও করতে পারছে না। বিপরীতদিকে ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ ক্যাম্পাসগুলোয় একক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে। এ পরিস্থিতিতে প্রতিযোগিতামূলক ও সুস্থ ধারায় না থাকায় বিভিন্ন ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি উঠছে।

কেননা এই ছাত্রনেতারা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোয় সিটের রাজনীতি করে। হলে প্রশাসন থাকলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সিট নিয়ন্ত্রণ করে এই ছাত্র নেতারা। এর ফলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা কখনোই স্বস্তি পায়নি। অপরদিকে ছাত্র সংসদ নির্বাচন না হওয়ায় ছাত্র নেতৃত্বের মধ্যে ছাত্রদের কল্যাণে কাজ করার মানসিকতা গড়ে ওঠেনি। এ কারণে ছাত্র রাজনীতির আবেদনও ক্রমেই কমেছে। ছাত্র সংগঠনগুলো এ দাবির বিরুদ্ধে কড়া প্রতিবাদ জানালেও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সেভাবে পাশে পাচ্ছে না।

এ অবস্থায় শিক্ষাঙ্গনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতে পথ হারানো ছাত্র রাজনীতির আমূল পরিবর্তন এবং নিয়মিত ছাত্র সংসদ নির্বাচন দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশিষ্টজনরা।

বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি উন্মুক্ত হওয়া নিয়ে প্রধান শিরোনাম করেছে দ্য ডেইলি স্টারও। তাদের প্রথম পাতার আরেকটি প্রতিবেদন বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবসকে কেন্দ্র করে। যার শিরোনাম- ‘Autism treatment Dhaka-centric’ অর্থাৎ, ‘অটিজম চিকিৎসা ঢাকা কেন্দ্রিক’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে অটিজমের চিকিৎসা ঢাকা কেন্দ্রিক হওয়ায় ভোগান্তির শিকার হন দূর দূরান্ত থেকে আসা স্বজনরা।

অটিজমের চিকিৎসায় দেশের সবচেয়ে বড় ইন্সটিটিউটটি হলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ)। যার নাম ইনস্টিটিউট ফর পেডিয়াট্রিক নিউরোডিসর্ডার অ্যান্ড অটিজম (আইপিএনএ)। এটি সরকারি উদ্যোগে করা দেশব্যাপী পেডিয়াট্রিক নিউরোডেভেলপমেন্ট এবং অটিজম-সম্পর্কিত ব্যবস্থাপনা, প্রশিক্ষণ এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠান।

গড়ে প্রতিদিন আড়াইশ থেকে তিনশ অটিস্টিক শিশু বিভিন্ন নিউরোডেভেলপমেন্ট সমস্যা নিয়ে ইনস্টিটিউটে আসে। তাদের মধ্যে প্রায় ১৩০ শিশুকে সেবা দেয়া গেলেও বাকিদের পরবর্তী তারিখে আসতে বলা হয়। অথচ যে জনবল আছে তা নিয়ে ৭০জনকে সেবা দেয়া সম্ভব।

অটিজমের চিকিত্সার জন্য সরকারি এবং বেসরকারি বেশিরভাগ সুবিধাই ঢাকাকেন্দ্রিক হওয়ায় অভিভাবকদের হয় ঢাকায় আসতে হয়, না হয় তাদের সন্তানদের বিনা চিকিৎসায় রেখে আসতে হয়।

শেয়ার বাজারের অস্বাভাবিক দরপতন নিয়ে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম- ‘৪৮ দিনে বিনিয়োগকারীদের ক্ষতি ১ লাখ কোটি টাকা’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গত ১৮ জানুয়ারি থেকে গতকাল পহেলা এপ্রিল পর্যন্ত ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজের বাজারমূল্যের হিসাবে বিনিয়োগকারীদের বড় ধরনের ক্ষতির হিসাব পাওয়া গেছে। এ সময়ে ঢাকার শেয়ারবাজারে লেনদেন হয়েছে মোট ৪৮ দিন। এই সময়ে দেশের প্রধান শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীদেরই ক্ষতি হয়েছে এক লাখ ১০ হাজার কোটি টাকার বেশি। তালিকাভুক্ত কোম্পানি, বন্ড ও মিউচুয়াল ফান্ডের বাজারমূল্যের ভিত্তিতে প্রতিদিন বাজার মূলধনের হিসাব করে ডিএসই। সেখানে দেখা যায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ব্যক্তি, শ্রেণি থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী এবং উদ্যোক্তারাও। বিশেষ করে যারা শেয়ার বা অন্যান্য সিকিউরিটিজ বিক্রি করে দিয়েছেন, তাদের বেশিরভাগই সরাসরি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। আর যারা বিক্রি করেননি, তাদের ক্ষেত্রে এ ক্ষতি অনাদায়ি (আনরিয়ালাইজড) হিসেবে পত্রকোষে হিসাবভুক্ত হয়েছে।

গ্যাসের মজুদ নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম-‘পেট্রোবাংলার হিসাবে বিবিয়ানায় উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মজুদ শেষ’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সর্বোচ্চ সরবরাহ আসছে হবিগঞ্জের বিবিয়ানা থেকে। ক্ষেত্রটি থেকে গতকালও জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ হয়েছে ১ হাজার ২৩ মিলিয়ন ঘনফুটের (এমএমসিএফ) কিছু বেশি। অথচ পেট্রোবাংলার ২টি রিজার্ভ এস্টিমেশন (উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মোট আবিষ্কৃত ও সম্ভাব্য মজুদ) অনুযায়ী, বিবিয়ানায় গ্যাসের মজুদ ফুরিয়েছে তিন মাস আগেই। পেট্রোবাংলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মনে করছেন, বর্তমানে এখানে সম্ভাব্য ও নিশ্চিতকৃত মজুদ নিয়ে করা হিসাবের চেয়েও অনেক বেশি গ্যাসের মজুদ রয়েছে। জ্বালানি খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিবিয়ানায় এখনো হয়তো গ্যাসের অনেক মজুদ অনাবিষ্কৃত ও হিসাবের বাইরে রয়ে গেছে। এর প্রকৃত পরিমাণ নির্ণয়ে অনুসন্ধান ও খনন তৎপরতা আরো জোরদার করা প্রয়োজন। অন্যথায় ক্ষেত্রটি থেকে আকস্মিকভাবে সরবরাহ কমলে তা গ্যাস খাতে সাময়িকভাবে হলেও বিপর্যয় তৈরি করতে পারে।

কর্মকর্তাদের ধারণা, নতুন যেসব এলাকায় অনুসন্ধান ও উত্তোলন তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে, সেখানে আরো অন্তত এক ট্রিলিয়ন ঘনফুটের (টিসিএফ) বেশি গ্যাস রয়েছে। বিবিয়ানা গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কার হয় ১৯৯৮ সালে। আর তা প্রথম উৎপাদনে আসে ২০০৭ সালে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসঙ্গে নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম- ‘Inexperienced, sick cos grab Bangladesh market.’ অর্থাৎ ‘অনভিজ্ঞ, অসুস্থ কোম্পানির বাংলাদেশের বাজার দখল’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, অনেক অনভিজ্ঞ, অসুস্থ কোম্পানি দৃশ্যত লাভজনক শুল্কের দ্বারা আকৃষ্ট হয়ে বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানির বাজারে প্রবেশ করেছে। তারা ভেবেছিল এখান থেকে উচ্চ মুনাফা অর্জন করতে পারবে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের অভিযোগ, ২০০৮ সালে বাংলাদেশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতি গ্রহণের পর ১৬ বছর পেরিয়ে গেলেও একটি একক মানের নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা যায়নি।

মূলত এই খাতে আগ্রহী অভিজ্ঞ কোম্পানিগুলিকে আকর্ষণ করা যায়নি। নতুন নবায়নযোগ্য উত্সাহীদের গ্রুপে অন্যান্যদের মধ্যে পোল্ট্রি ব্যবসায়ী, ফিড মিল মালিক, রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী, অবকাঠামো নির্মাণ কোম্পানি, তৈরি পোশাক ব্যবসায়ী, একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং একটি জনবল নিয়োগকারী সংস্থা ছিল। ফলস্বরূপ, নবায়নযোগ্য শক্তির বাজার ধীরে ধীরে প্রসারিত হয়েছে, এবং খরচ বিশ্বব্যাপী গড় দামের চেয়ে অনেক বেশি পড়েছে। ফলে বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান দাম থেকে মানুষ নিস্তার পায়নি।

বিএনপি ও ভারত প্রসঙ্গ নিয়ে মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম- ‘ভারতের সঙ্গে বিএনপি’র আলোচনা কেন ব্যর্থ হয়’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আওয়ামী লীগ ভারতের প্রতি ‘নতজানু’ আর বিএনপি ‘ভারতবিরোধী’ এমন স্লোগান রাজনীতিতে বর্তমান। কিন্তু বাস্তবতা সব সময় এক নয়। বিএনপিও ভারতের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক তৈরির চেষ্টা করছে উল্লেখ করে এতে বলা হয়েছে, কেবল ভারতের মন পেতে মাঠের জোটবদ্ধ আন্দোলনের শক্তি হ্রাসের সমূহ ঝুঁকি মাথায় নিয়ে বিএনপি তাদের প্রধান জোট সঙ্গী জামায়াতকে এক তরফাভাবে ত্যাগ করে।

শুধু তাই নয়, যুদ্ধাপরাধের দায়ে বিএনপি’র জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর (সাকা চৌধুরী) ফাঁসি হওয়ার পরও রহস্যজনক কারণে নীরব ছিল দলটি। 

এতে বলা হয়েছে, পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, ১০ ট্রাক অস্ত্রই ভারতের সঙ্গে আজ অবধি বিএনপি’র শীতল সম্পর্কের মূল কারণ। সমালোচনা রয়েছে ভারতের চাপে পড়ে বিএনপি সরকার সেসব অস্ত্র আটক করতে বাধ্য হয়, অন্যথায় তা ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হাতে যেত।

ইসরায়েল গাজা প্রসঙ্গে নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম-‘ধ্বংসযজ্ঞ ও হত্যাকাণ্ডের পর আল শিফা ছাড়ল ইসরাইলি সেনারা’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দুই সপ্তাহের ধ্বংসাত্মক ও প্রাণঘাতী অভিযানের পর অবশেষে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার বৃহত্তম আল-শিফা হাসপাতাল থেকে সৈন্যদের প্রত্যাহার করে নিয়েছে ইসরায়েল। ভবনের ধ্বংসাবশেষ আর আবর্জনার মাঝে ফিলিস্তিনের ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা লাশ রেখে ইসরাইলি সৈন্যরা হাসপাতালটি ত্যাগ করেছে।

সরাইলি সৈন্যরা চলে যাওয়ার পর শত শত বাসিন্দা গাজা উপত্যকার বৃহত্তম হাসপাতালের আশপাশে ছুটে আসেন। ইসরাইলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, দুই সপ্তাহের অভিযানে হাসপাতাল এলাকায় কয়েক শ’ বন্দুকধারীকে হত্যা ও আটক করা হয়েছে। তবে হামাস ও চিকিৎসাকর্মীরা আল-শিফা হাসপাতালে ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের সশস্ত্র উপস্থিতির ইসরাইলি দাবি নাকচ করেছে। হাসপাতালের বিধ্বস্ত ভবনের মধ্যে এখনো ১০৭ জন রোগী আছেন, যাদের অবস্থা খুবই করুণ। তাদের জন্য নেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা।

এদিকে গাজার আল-শিফা হাসপাতাল থেকে রোগীদের সরিয়ে নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রধান তেড্রোস আধানম গেব্রিয়াসিস। তথ্যসূত্র: বিবিসি নিউজ বাংলা

দৈনিক সরোবর/এএস