add

ঢাকা, সোমবার, ২২ জুলাই ২০২৪, ৭ শ্রাবণ ১৪৩১

আনার খুনের মোড় বদলের চেষ্টা!

সরোবর প্রতিবেদক 

 প্রকাশিত: জুন ১৪, ২০২৪, ০৭:৫০ বিকাল  

ইত্তেফাকের প্রধান শিরোনাম- ‘রাজনৈতিক দ্বন্দে’ আড়াল হচ্ছে স্বর্ণ চোরাচালান। ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের খুনের নেপথ্য কারণ স্বর্ণ চোরাচালান। ইতিমধ্যে এই চোরাচালান চক্রের কয়েকজন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটকও হয়েছে। তবে রহস্যজনক কারণে হঠাৎ মোড় বদলের চেষ্টা চলছে।

‘রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব’ মোড়কে স্বর্ণ চোরাচালানের বিষয়টিকে আড়াল করতে তৎপর একটি চক্র। এই চক্রের নেপথ্যে রয়েছেন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রভাবশালী একাধিক সংসদ সদস্য ও রাজনীতিক। ফলে আনার হত্যার মূল রহস্য শেষ পর্যন্ত অধরা থেকে যাওয়ার আশংকা করছেন অপরাধ বিশেষজ্ঞরা।

সংসদ সদস্য আজীমের মতো দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে শতাধিক মানুষ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। একটা হত্যাকান্ডেরও বিচার হয়নি। স্বর্ণ চোরাচালানের মাফিয়াদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে কেউ চলে গেলে তাকে আর বাঁচিয়ে রাখে না তারা। এমপি আজীমের ক্ষেত্রেও তাই ঘটেছে। এই নেটওয়ার্ক অনেক শক্তিশালী।

সরকারের 'গলার কাঁটা' বেনজীরের সম্পত্তি-যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম এটি। বলা হচ্ছে সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজি) বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা বিপুল সম্পত্তি এখন সরকারের একরকম ‘গলার কাঁটা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বেনজীর পরিবারের শত শত কোটি টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও অবরুদ্ধ করার আদেশ দিয়েছেন আদালত। ক্রোক করা সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ এখন সরকারের দায়িত্ব।

ইতোমধ্যে গোপালগঞ্জে সাভানা ইকো রিসোর্ট ও ন্যাচারাল পার্ক ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণে ছয় সদস্যের রিসিভার কমিটি গঠন করা হয়েছে। কিন্তু রিসোর্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।

বেনজীরের বিরুদ্ধে মামলা করবে দুদক-এটি আজকের পত্রিকার শিরোনাম। বিস্তারিত বলা হয় জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদের নামে মামলা করবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সংস্থাটির তদন্ত সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য জানিয়েছে। সূত্রটি জানায়, সাবেক এই আইজিপির বিরুদ্ধে শিগগিরই মামলা করবে দুদক। এ ছাড়া বেনজীরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন দুদকের প্যানেলভুক্ত আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

ভর্তির যোগ্যতাই ছিল না, তবু ডক্টরেট ডিগ্রি পান বেনজীর– প্রথম আলোর শিরোনাম। পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ ২০১৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি নেন। এরপর থেকে তিনি নামের আগে ডক্টর শব্দটি ব্যবহার করা শুরু করেন। যদিও ডক্টরেট ডিগ্রি নেওয়ার প্রোগ্রামে ভর্তির যোগ্যতাই তার ছিল না। শর্ত শিথিল করে তাকে ভর্তির সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।

বেনজীর আহমেদ ডক্টরেট ডিগ্রি নিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডক্টর অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ডিবিএ) প্রোগ্রাম থেকে। সেখানে ভর্তির জন্য স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হয়। শিক্ষাজীবনের সব পাবলিক পরীক্ষায় কমপক্ষে ৫০ শতাংশ নম্বর পেতে হয়। বেনজীরের তা ছিল না।

Lu denies US plots to set up Christian state, air base in Bangladesh–অর্থাৎ বাংলাদেশকে খ্রিস্টান রাষ্ট্র ও এখানে বিমান ঘাঁটি স্থাপনের পরিকল্পনাকে অস্বীকার করেছেন ডোনাল্ড লু, ইংরেজি দৈনিক নিউ এজের শিরোনাম এটি। বিস্তারিত বলা হয়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে দাবি করেছেন পূর্ব তিমুরের মতো বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের কিছু অংশ মিলিয়ে খ্রিস্টান রাষ্ট্র তৈরির পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের সেটাকে নাকচ করেছেন দেশটির দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী লু।

ভয়েস অফ আমেরিকা বাংলাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের শ্রদ্ধা আছে। একইসাথে তিনি বাংলাদেশে বিমান ঘাঁটি স্থাপনের আগ্রহ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র এমন খবরকেও বাতিল করে দেন। নাফ নদীতে মিয়ানমারের যুদ্ধ জাহাজের টহল–নয়া দিগন্তের খবর। নাফ নদীর ওপারে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের সশস্ত্রবাহিনী ও বিদ্রোহী আরাকান আর্মির সাথে সংঘর্ষের মধ্যে মিয়ানমারের আকাশসীমায় উড়ছে যুদ্ধবিমান আর নাফ নদীতে টহল দিচ্ছে মিয়ানমারের নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ।

নাফ নদীর সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের কাছে টানা দুই দিন ধরে দেখা মিলছে বড় ধরনের একটি যুদ্ধজাহাজ। আর সেই জাহাজ ও মিয়ানমারের স্থলে ভাগের মধ্যে বুধবার দিবাগত রাত থেকে বৃহস্পতিবার বিকাল পর্যন্ত চলছে গোলাগুলি। এ সময় বিস্ফোরণের বিকট শব্দ ভেসে আসছে টেকনাফের সীমান্তবর্তী এলাকায়। এমন পরিস্থিতিতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি ও কোস্টগার্ড। মিয়ানমারের ভারী গোলা ও মর্টার শেলের শব্দে শাহপরীর দ্বীপ এবং সেন্টমার্টিন কেঁপে উঠেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের মধ্যে এ নিয়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

২১শে জুন ফের ভারত যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী–মানবজমিনের খবরে বলা হচ্ছে শেখ হাসিনার বেইজিং সফর ৮ জুলাই। পত্রিকাটি লিখেছে আগামী ২১ জুন পূর্ণদ্বিপক্ষীয় সফরে দিল্লি যাবেন তিনি। ওই দিনেই দেশটির পুনঃনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। সফরকালে দেশটির প্রেসিডেন্ট ধ্রুপদি মূর্মর সঙ্গেও সরকারপ্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ হতে পারে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী বেইজিং সফরও চূড়ান্ত হয়েছে। আগামী ৮ জুলাই সরকারপ্রধান দ্বিপক্ষীয় সফরে চীন যাবেন। ফিরবেন ১০ জুলাই। সফরকালে দেশটির প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ছাড়াও প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং এবং স্পিকারের সঙ্গে তার বৈঠক হতে পারে।

১৮ জেলার ২৫ শতাংশের বেশি এখনো পড়তে ও লিখতে জানে না–বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম এটি। বলা হয় দেশে শতভাগ সাক্ষরতা নিশ্চিতে গত কয়েক দশকে সরকারিভাবে অনেক প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে। এ নিয়ে দেশী-বিদেশী বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর (এনজিও) পক্ষ থেকেও নেয়া হয়েছে অনেক প্রকল্প ও কর্মসূচি। এসব প্রকল্পের অগ্রগতি আশানুরূপ বলে বিভিন্ন সময় দাবিও করা হয়েছে।

যদিও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এর ন্যাশনাল রিপোর্টের অধীন আর্থসামাজিক ও জনমিতিক জরিপ ২০২৩-এর তথ্য বলছে, দেশের ১৮টি জেলায় এখনো ২৫ শতাংশের বেশি মানুষ লিখতে বা পড়তে পারেন না। এমনকি অতীতে নিরক্ষরতামুক্ত হিসেবে ঘোষিত জেলাও এ তালিকায় রয়েছে। নিরক্ষরতার হারের দিকে গোটা বাংলাদেশে শীর্ষে পার্বত্য জেলা বান্দরবান। বিবিএসের হিসাব অনুযায়ী, জেলাটিতে নিরক্ষরতার হার ৩৪ দশমিক ১০ শতাংশ। দারিদ্র্যের পাশাপাশি অবকাঠামো ও জনবল ঘাটতি, মাঠপর্যায়ের দুর্বলতা এবং সমন্বয়হীনতার কারণেও এখানে অনেক সময় আশানুরূপ ফল পাওয়া যাচ্ছে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রাজধানীর পশুর হাটে বৃষ্টির বাগড়া, ক্রেতা কম–সংবাদের অন্যতম শিরোনাম এটি। রিপোর্টে বলা হচ্ছে কোরবানির ঈদ ঘিরে রাজধানীর হাটগুলো জমে ওঠার আগেই গতকাল বিকেল থেকে বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির কারণে দুর্ভোগ নেমেছে পশুর হাটে। বৃষ্টির কারণে হঠাৎ ক্রেতা কমে যাওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন পশু বিক্রেতারা। পাশাপাশি ভালো দাম না পাওয়ার আশঙ্কাও ব্যবসায়ীদের।

মহাসড়ক থেকে অলিগলি পশুহাটের বিস্তার–কোরবানির পশুর হাট নিয়ে সমকালের শিরোনাম। বরাবরের মতো এবারও অনিয়ম আর অব্যবস্থাপনার বৃত্ত থেকে বের হতে পারছে না রাজধানীর কোরবানির পশুর হাট। সিটি করপোরেশন শর্ত বেঁধে দিলেও ইজারাদারের যেন তা মানতে বয়েই গেছে। কোনো হাটের পরিধি নির্ধারিত চৌহদ্দির মধ্যে নেই। কোথাও হাট ছাড়িয়ে পশুর সারি মহাসড়কে, আবার কোথাও পাড়া-মহল্লা ও অলিগলিতে চলে গেছে হাটের বিস্তার। যেখানে-সেখানে অবৈধ পশুহাটও চোখে লাগছে। সড়কের ওপর ট্রাকে ট্রাকে নামছে পশু। এতে সড়ক-মহাসড়কে যানজট ভয়াবহ চেহারা নিয়েছে। পাঁচ মিনিটের পথ পাড়ি দিতে লাগছে ঘণ্টা। এসব কারণে হাটের আশপাশ দিয়ে চলাচলে গলদঘর্ম হচ্ছেন এলাকার মানুষ। বেশির ভাগ হাটের ইজারাদার ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী নেতা হওয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মুখে এঁটেছে কুলুপ। এসব অব্যবস্থাপনা দেখেও তারা নীরব দর্শক। অভিযোগ আছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সিটি করপোরেশন ও ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় নেতাকে ম্যানেজ করে ইজারাদার হাটের পরিধি বাড়িয়ে নিচ্ছেন। ‘জোর যার মুল্লুক তার’– এ প্রবাদে বিশ্বাসী হয়ে উঠেছেন তারা।

`ঘরমুখো মানুষের স্রোত’– সড়ক, রেল ও নৌপথে ঈদযাত্রা নিয়ে প্রধান শিরোনাম করেছে যুগান্তর। পত্রিকাটি লিখেছে সরকারি অফিস ছুটি হয়েছে। বেসরকারি পর্যায়ের বেশির ভাগ অফিসও ছুটি হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও বন্ধ হয়ে গেছে। এখন আপনজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ঘরমুখো মানুষের স্রোত। কেউ যাচ্ছেন সড়কপথে, কেউ ট্রেনে এবং কেউবা যাচ্ছেন লঞ্চে। সরকারের নানা তৎপরতায় বড় ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই ট্রেনে বাড়ি ফিরছে মানুষ। লঞ্চযাত্রায়ও তেমন ভোগান্তি নেই। তবে সড়কপথে যানজটে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে বাড়িফেরা মানুষ। পাশাপাশি বাসের অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ে যাত্রীর অসন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা গেছে।

বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের সাথে বাংলাদেশের জয়ের খবরটিও উঠে এসেছে বেশিরভাগ পত্রিকার প্রথম পাতায়। ডাচদের হারিয়ে আরও এগোল বাংলাদেশ–কালের কন্ঠ শিরোনাম করেছে এটি। বাংলাদেশের দেয়া ১৬০ রান তাড়ায় ১৪ ওভারে ৩ উইকেটে ১০৪ রান তুলে ফেলে ডাচরা। যেখানে বাংলাদেশ তুলেছিল ৪ উইকেট হারিয়ে ১০২ রান। গতকাল ম্যাচের এমন পরিস্থিতিতে নেদারল্যান্ডসের প্রয়োজন পড়ে ৩৬ বলে ৫৬ রান। জয়ের পাল্লা যখন প্রতিপক্ষের দিকে ঝুলে তখন ইনিংসের ১৫তম ওভারে জোড়া উইকেট নিয়ে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেন রিশাদ হোসেন। শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেট হারিয়ে ১৩৪ রানে থামে নেদারল্যান্ডস। ২৫ রানের জয়ে সুপার এইটের পথে আরো এগোল বাংলাদেশ। ডাচদের আর নেপালের সম্ভাবনা যদি-কিন্তুর মারপ্যাঁচে টিকে থাকলেও বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে শ্রীলঙ্কার।

Bangladesh may lose a third of agri output by 2050–ডেইলি স্টারের শিরোনাম এটি। বলা হচ্ছে জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশ ২০৫০ সাল নাগাদ কৃষি জিডিপির এক তৃতীয়াংশ হারিয়ে ফেলতে পারে, বিশ্ব ব্যাংকের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয় ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কৃষি জমির পরিমাণ ৬.৫ শতাংশ কমে যেতে পারে। বৃহস্পতিবার `ফ্রেমওয়ার্ক ফর ইমপ্লিমেন্টিং গ্রিন গ্রোথ ইন বাংলাদেশ’ শিরোনামে এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে ওয়ার্ল্ড ব্যাংক।

এক শতাংশের হাতেই ৭৫% ঋণ–দেশ রুপান্তরের প্রধান শিরোনাম এটি। এতে বলা হয় অর্থনীতির মেরুদন্ড-ব্যাংক খাত এখন অনেকটাই ঝুঁকির মুখে। সুশাসনের অভাব কিংবা খেলাপি ঋণের কারণে সবচেয়ে বেশি আলোচনা-সমালোচনাও ব্যাংক খাত ঘিরে। দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ ব্যাংকে তাদের কষ্টার্জিত অর্থ সঞ্চয় রাখেন, যা দিয়ে দেশের উন্নয়ন-প্রয়োজন কিংবা চাহিদা মেটানো হয়। তবে এ আমানতের সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী দেশের ব্যবসায়ীরা, বিশেষ করে প্রভাবশালী ব্যবসায়ীরা। ঋণের নামে তারা ব্যাংক থেকে টাকা নিচ্ছেন, যাদের অনেকেই ফেরত দিচ্ছেন না। বর্তমানে ব্যাংক ঋণের ৭৫ শতাংশই নিয়ে গেছেন এক শতাংশ হিসাবধারী, যারা মূলত কোটিপতি ব্যবসায়ী।

চলতি বছর মার্চ পর্যন্ত ব্যাংকে ১৫ কোটিরও বেশি আমানতকারীর সঞ্চয় রয়েছে ১৭ লাখ ৬২ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ১৫ লাখ ৬১ হাজার কোটি টাকা ঋণ হিসেবে বিতরণ করেছে ব্যাংক। তথ্যসুত্র:বিবিসি নিউজ বাংলা

দৈনিক সরোবর/এএল