চারহাফে হোয়াইটওয়াশ উইন্ডিজ

খেলাধুলা ডেস্ক
প্রকাশিতঃ জানুয়ারী ২৫, ২০২১ , ৮:৩৯ অপরাহ্ন

সিরিজ জয় আগেই নিশ্চিত হয়েছিল বাংলাদেশের। তবে দলটির লক্ষ্য ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা দেয়া। শেষ পর্যন্ত স্বাগতিকদের সে আশা সোমবার পূরণ হয়েছে চার সিনিয়র তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের হাফসেঞ্চুরিতে। তাদের ব্যাটেই এদিন বড় পুঁজি পায় বাংলাদেশ। পরে বল হাতে মোস্তাফিজুর রহমান, মেহেদি হাসান মিরাজ ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন নিয়োমিত বিরতিতে উইকেট এনে দিয়ে টাইগারদের বড় জয়ে অবদান রাখেন।

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সোমবার সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে ১২০ রানে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। এরফলে ৩-০ তে সিরিজও নিজেদের করে নিলো স্বাগতিকরা।

সোমবার টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে বাংলাদেশ করে ৬ উইকেটে ২৯৭। পরে বল হাতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৪৪.২ ওভারে ১৭৭ রানে গুটিয়ে দেয় টিম টাইগার্স।

আক্রমণে ফিরেই মিরাজের আঘাত

বোলিংয়ে ফিরেই ক্যারিবীয় শিবিরে আঘাত করেন মেহেদি হাসান মিরাজ। কট বিহাইন্ড করে দিলেন অভিষিক্ত কিপার-ব্যাটসম্যান জামার হ্যামিল্টনকে।

মিরাজের করা অফ স্টাম্পের বাইরের বল থার্ড ম্যানের দিকে পাঠাতে চেয়েছিলেন হ্যামিল্টন। তার প্রত্যাশার চেয়ে কম স্পিন করা বল খেলতে পারেননি ঠিক মতো। ব্যাটের কানা ছুঁয়ে জমা পড়ে মুশফিকুর রহিমের গ্লাভসে। ফেরার আগে তিনি করেন ১৬ বলে ৫ রান।

কুঁচকির চোটে মাঠ ছাড়লেন সাকিব

৩০তম ওভারে আক্রমণে এসেই কুঁচকির চোটে পড়েন সাকিব আল হাসান। ঐ ওভারের চতুর্থ বলে প্রথম বোঝা যায় কুঁচকিতে কোনো সমস্যা অনুভব করছেন তিনি। লং অনের দিকে যাওয়া বল তাড়া করতে গিয়ে থেমে যান মাঝ পথে। পরের বলটি করার পর ব্যথায় বসে পড়েন তিনি। ফিজিও এসে দেখার পর একটু চেষ্টা করে দেখেন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব কি না। কিন্তু ব্যথার জন্য শেষ বলটি না করেই মাঠ ছাড়েন সাকিব।

বনারকে বোল্ড করে ফেরালেন সাইফ

ফের উইকেটের দেখা পেলেন সাইফউদ্দিন। এবার এ পেসার দারুণ এক ইনসুইংয়ে বোল্ড করে ফেরালেন বর্নারকে। ফেরার আগে তিনি করেন ৬৬ বলে ২ চারে ৩১ রান।

উইন্ডিজ অধিনায়কের প্রতিরোধ ভাঙলেন সাইফ

ফেরার ম্যাচে দ্বিতীয় স্পেলেই নিজেকে ফিরে পেলেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিস। জেসন মোহাম্মেদকে ফিরিয়ে ভেঙেছেন ক্যারিবিয়ানদের প্রতিরোধ।

সাইফকে ব্যাক ফুটে খেলার চেষ্টায় মুশফিকুর রহিমের গ্লাভসে ধরা পড়েন জেসন। এরফলে ভাঙে বনারের সঙ্গে তার ৬৭ বল স্থায়ী ৩২ রানের জুটি।

মেয়ার্সকে এলবিডব্লিয়ে ফাঁদে ফেললেন মিরাজ 

দারুণ বোলিং করে চলা মেহেদি হাসান মিরাজ এলবিডব্লিউ করে ফেরালেন কাইল মেয়ার্সকে। অফ স্পিনারের লেগ স্টাম্পে পিচ করা বল পিছিয়ে গিয়ে ডিফেন্স করতে চেয়েছিলেন ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যান। স্পিন করে মিডল স্টাম্পের দিকে যাওয়া বলে ব্যাট ছোঁয়াতে পারেননি। আম্পায়ার এলবিডব্লিউ দিলে রিভিউ নেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। বল ট্র্যাকিংয়ে দেখা গেল মিডল স্টাম্পে লাগত বল। নষ্ট হয় একটি রিভিউ।

অ্যামব্রিসকেও সাজঘরের পথ দেখালেন মোস্তাফিজ

আগের দুই ম্যাচের মতই সোমবার অ্যামব্রিসের উইকেট নিলেন মোস্তাফিজ। এদিন তাকে সোজা বলে এলবিডব্লয়ের ফাঁদে ফেলেন বাঁহাতি এ পেসার। ফেরার আগে সফরকারী ওপেনার করেন মাত্র ১৪ বলে ২ চারে ১৩ রান।

ক্যারিবীয় শিবিরে প্রথম আঘাত মোস্তাফিজের

আবারও ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম উইকেট নিলেন মোস্তাফিজুর রহমানের হাত ধরে। কিওর্ন ওটলিতে কটবিহাইন্ড করলেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান।

সফরকারী ওপেনারকে অফ স্টাম্পের বাইরে বল করছিলেন ফিজ। সুইং করে বেরিয়ে যাচ্ছিল বল। কিন্তু লাইন ধীরে ধীরে ব্যাটসম্যানের কাছে নিয়ে আসছিলেন। ওভারের শেষ বলটা ছিল সবচেয়ে কাছে, উইকেট আসে সেটাতেই। খোঁচা মেরে মুশফিকুর রহিমের গ্লাভসে ধরা পড়েন ওটলি। ফেরার আগে তিনি করেন ৮ বলে ১ রান।

চার হাফসেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৯৭

আগের দুই ম্যাচে সহজ লক্ষ্য তাড়ায় ব্যাটিংটা ঠিক মন মতো হয়নি বাংলাদেশের। এ জন্য টাইগারদের মনে জমে ছিল আক্ষেপ। তবে সোমবার সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়ে তা দূর করলেন তামিম ইকবাল, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদরা। এ চার ব্যাটসম্যানই এদিন পেয়েছেন হাফসেঞ্চুরির দেখা। শেষ পর্যন্ত তাদের নৈপুণ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সামনে ২৯৮ রানের টার্গেট দিয়েছে টিম টাইগার্স।

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সোমবার সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে বাংলাদেশ করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ২৯৭ রান। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ সমান ৬৪ রান করেছেন তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তবে মুশফিক, তামিমের চেয়ে বল কম খেলেছেন মাহমুদউল্লাহ। এদিকে সাকিব আল হাসান করেন ৫১ রান। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে রেইফার, জোসেফ নেন ২টি করে উইকেট।

ছক্কার পর আউট মুশফিক

আগের বলে ছক্কা হাঁকান রেমন রিফারকে। পরের বলে খেলতে চাইলেন ইনসাইড আউট। কিন্তু পার করতে পারলেন না কাভার। আলজারি জোসেফের হাতে ধরা পড়ে থামলেন মুশফিকুর রহিম। ফেরার আগে এ ডানহাতি করেন ৫৫ বলে ৪ চার ও ২ ছয়ে ৬৪ রান।

মুশফিক-মাহমুদউল্লাহর জুটিতে হাফসেঞ্চুরি

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও মুশফিকুর রহিম দ্রুত রান তুলে ৪৬ বলে পঞ্চাশ স্পর্শ করেছে। ৪৫ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ২৪০/৪। ৪৯ বলে ৫৪ রানে খেলছেন মুশফিক। ২৭ বলে মাহমুদউল্লাহর রান ৩২।

মুশফিকের হাফসেঞ্চুরি

অনায়াসে ব্যাট হাতে রান তুলছেন মুশফিকুর রহিম। বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ওয়ানডে খেলার রেকর্ড গড়ার দিনে ৪৭ বলে হাফসেঞ্চুরি স্পর্শ করেছেন তিনি। ৪৩ ওভারে রেমন রিফারের বলে মুশফিকের ছক্কায় ৪৫ বল পর বাউন্ডারি পায় বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের দুইশ 

৪০.৩ ওভারে দলীয় দুইশ রানে পৌঁছেছে বাংলাদেশ।

উইকেট বিলিয়ে দিলেন সাকিব 

রেমন রেইফারের করা স্লোয়ার ঠিক মতো পড়তে পারলেন না সাকিব আল হাসান। তাই একটু কেতাবি ঢঙে খেলতে চেয়েছিলেন এ বাঁহাতি। কিন্তু কিছু বুঝে ওঠার আগেই বল তার ব্যাট ফাঁকি দিয়ে লাগে স্ট্যাম্পে। সঙ্গে সঙ্গে হতাশ হয়ে ফেরেন সাকিব। তার আগে তিনি করেন ৮১ বলে ৩ চারে ৫১ রান। তার বিদায়ে ভাঙে মুশফিকের সঙ্গে ৪৭ রানের পঞ্চম উইকেট জুটি।

সাকিবের ৪৮তম হাফসেঞ্চুরি 

ইনিংসের ৩৬তম ওভারের শেষ বলে ১ রান নিয়ে ক্যারিয়ারের ৪৮তম হাফসেঞ্চুরি তুলে নিলেন সাকিব আল হাসান। এজন্য তিনি খেলেছেন ৭৮ বল। চার হাঁকিয়েছেন ৩টি। তার বিদায়ে ভাঙে মুশফিকের সঙ্গে ৪৮ রানের পঞ্চম উইকেট জুটি।

ভুল শটে উইকেট বিলিয়ে দিলেন তামিম

দারুণ খেলছিলেন। কিন্তু হাফসেঞ্চুরির পর তামিম একটু বেশিচড়াও হয়ে খেলতে চেয়েছিলেন। যার খেসারত দিতে হল তাকে।  আলজারি জোসেফের  শর্ট বল লেগে ঘুরিয়েছিলেন তিনি। ঠিক মতো খেলতে পারেননি বাংলাদেশ অধিনায়ক। ধরা পড়েন মিডউইকেটে। তার বিদায়ে ভাঙে সাকিবের সঙ্গে তার ১২১ বল স্থায়ী ৯৩ রানের জুটি। ৮০ বলে তিন চার ও এক ছক্কায় তামিম করেন ৬৪।

ফের তামিমের হাফসেঞ্চুরি 

জেমন মোহাম্মদ করা ২৫তম ওভারের প্রথম  বল ডিপ কাভারে পুস করে দিয়ে এক রান নিয়েই ক্যারিয়ারের ৪৯তম হাফসেঞ্চুরিতে পৌঁছে যান তামিম। এজন্য তিনি খেলেন ৭০ বল। তার এ ইনিংসে চার মাত্র ২টি।

বাংলাদেশের একশ 

আকিল হোসেনের করা ২৩তম ওভারের দ্বিতীয় বল লেগে ঠেলে সাকিব আল হাসান নেন এক রান। এর সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশও পৌঁছে যায় দলীয় একশ রানে।

তামিম-সাকিবের জুটিতে হাফসেঞ্চুরি

দলের বিপর্যয়ের ‍মুখে দারুণ খেলে চলেছেন তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসান। এরইমধ্যে তাদের চতুর্থ জুটি ৬৮ বলে পূর্ণ করেছে হাফসেঞ্চুরি। সেখানে তামিমের অবদান ২৬ আর সাকিবের ১৯ রান।

প্রথম বলেই জীবন পেলেন সাকিব 

ক্রিজে নেমে প্রথম বল বলেই জীবন পেলেন সাকিব আল হাসান। মায়ার্সের ঐ বলটি ছিল একটু বাউন্সি। সাকিব চেয়েছিলেন বলটিকে আলতো করে খেলতে। কিন্তু ঠিকমতো পারেনি। বল ব্যাটে লেগে উঠে যায়। কিন্তু সে সময় নিজের বলে নিজে ক্যাচ নিতে পারেনি মায়ার্স। যে কারণে জীবন পান সাকিব।

তিনে নামা শান্ত ফের ব্যর্থ 

সাকিব আল হাসানের বদলে চলতি সিরিজে নাজমুল েহোসেন শান্তকে তিনে খেলায় সুযোগ দিয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু এ বাঁহাতি ব্যাটসম্যান কিছুতেই এ পজিশনে নিজেকে মেলে ধরতে পারছেন না। সোমবার ফের ব্যর্থ হলেন। এদিন মাত্র ২০ রান করে মায়ার্সের বলে এলবিডব্লিয়ের ফাঁদে পড়ে ফিরে গেছেন তিনি।

শূন্য রানে লিটনের বিদায়

প্রথম ওভারেই ফিরে গেলেন লিটন কুমার দাস। আলজারি জোসেফেকে লেগে খেলতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু লেগ স্টাম্পে থাকা বলে ব্যাট ছোঁয়াতে পারেননি এ ওপেনার। যে কারণে বল তার প্যাডে লাগে। সঙ্গে ওয়েস্ট ইন্ডিজের খেলোয়াড়েরা আবেদন করেন এলবিডব্লিউর। সে আবেদনে সাড়া দেন আম্পায়ার। ফেরার আগে রানের খাতা খুলতে পারেননি লিটন।

বাংলাদেশ একাদশে দুই পরিবর্তন

সিরিজের শেষ ম্যাচে সোমবার বাংলাদেশ একাদশে দুটি পরিবর্তন এসেছে। রুবেল হোসেন ও হাসান মাহমুদের জায়গায় খেলছেন তাসকিন আহমেদ ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।

টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

সোমবার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে বঙ্গবন্ধু ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে নেমেছে তামিম ইকবালের দল। তার আগে টসে হেরেছে স্বাগতিকরা। যে কারণে আগে ব্যাটিংয়ে নামতে হচ্ছে তাদের।

প্রথম দুই ম্যাচ জিতে সিরিজ নিশ্চিত হলেও আজকের ম্যাচটিকে বাংলাদেশ বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে ওয়ানডে সুপার লিগের কথা মাথায় রেখে। কেননা আগামী ২০২৩ বিশ্বকাপে সরাসরি খেলতে হলে এখন প্রতিটি ওয়ানডে টাইগারদের জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ।

সোমবার ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারাতে পারলেই পয়েন্ট তালিকায় বাংলাদেশ উঠবে দুইয়ে! পয়েন্ট তালিকায় সবার উপরে এখন অবস্থান করছে অস্ট্রেলিয়া ( ৬ ম্যাচে ৪০ পয়েন্ট)। বর্তমানে দ্বিতীয় স্থানে থাকা ইংল্যান্ডকে (৬ ম্যাচে ৩০ পয়েন্ট) ছুঁয়ে ফেলবে বাংলাদেশ।

দ্বি-পাক্ষিক ওয়ানডে সিরিজের রেকর্ডে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাথে ১০টি সিরিজ ৫-৫ এ সমতায় এনেছে বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইট ওয়াশের রেকর্ড একবারই মাত্র আছে বাংলাদেশ দলের।

চলতি সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ জিতেছিল ৬ উইকেটে। আর পরের ম্যাচে টাইগারদের জয় ছিল ৭ উইকেটের। যে কারণে এক ম্যাচ আগেই সিরিজ নিজেদের পকেটে পুরেছিল স্বাগতিকরা। তবে আজ তামিম ইকবালদের লক্ষ্য উইন্ডিজকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা দেয়া।

বাংলাদেশ একাদশ: 

তামিম ইকবাল (অধিনায়ক), লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম (উইকেটরক্ষক),মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, সৌম্য সরকার, মেহেদী হাসান মিরাজ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মোস্তাফিজুর রহমান ও তাসকিন আহমেদ।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ একাদশ: 

জেসন মোহাম্মেদ, সুনিল আমব্রিস, এনক্রুমা বনার, জামার হ্যামিল্টন, রভম্যান পাওয়েল, কাইল মেয়ার্স, কেয়র্ন ওটলি, আলজারি জোসেফ, রেমন রিফার, কিওন হার্ডিং, আকিল হোসেইন।

সংবাদটি শেয়ার করুন »

আপনার মন্তব্য লিখুন

খেলাধুলা : আরো পড়ুন