হাতি গাধার লড়াই

এম এ কবীর সম্পাদকের কলম ডেস্ক
প্রকাশিতঃ নভেম্বর ১৬, ২০২০ , ৭:২১ অপরাহ্ন

এম এ কবীর : যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী প্রতীক হাতি ও গাধাকে কেন বেছে নেয়া হলো, এ প্রশ্ন অনেকেরই আছে। দেড়শ বছর আগেও দেশটির রাজনীতিতে কার্টুন ছিল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। গাধা প্রতীকটি প্রথম ব্যবহার করেন আমেরিকার সপ্তম প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড্রু জ্যাকসন। নির্বচনের সময় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ তাকে ‘জ্যাকঅ্যাস’ অর্থাৎ গাধা বলে ডাকা শুরু করে। বিদ্রুপ করে ডাকা হলেও জ্যাকসন নামটি খুব পছন্দ করেন এবং বিরোধী দলের অপপ্রচারকেই কাজে লাগান নিজের প্রচার হিসেবে। আর গাধাকে তিনি নির্বাচনী প্রতীক হিসেবে বেছে নেন। তখন থমাস ন্যাস্ট নামে এক কার্টুনশিল্পী অ্যান্ড্রু জ্যাকসনের মাথা একটি গাধার (জ্যাকঅ্যাস) শরীরের উপর বসিয়ে কার্টুন আঁকেন। সেই থেকে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির জাতীয় প্রতীক হিসেবে গাধা ব্যবহার হয়ে আসছে।

অন্যদিকে ১৮৭৪ সালে থমাস ন্যাস্ট হাতিকে রিপাবলিকানদের প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করেন। তিনি তার কার্টুনে দেখান,সিংহের চামড়া পিঠে চাপিয়ে একটি গাধা বনের সব প্রাণীকে ভয় দেখাচ্ছে। সিংহের ছদ্মবেশী সেই গাধাকে দেখে সবাই ভয়ে পালাচ্ছে। কিন্তু সবাই ভয়ে পালালেও একটি বনে হাতি স্থির ও অচঞ্চল গাধিাটির সামনে। হাতির এই নির্ভিক বিষয়টিই তুলে ধরেন থমাস।

তার এমন অর্থবহ কার্টুন দারুন পছন্দ হয় রিপাবলিকানদের। আর হাতির সেই কার্টুন লুফেনেয় রিপাবলিকানরা। আর সেই থেকে হাতি হয়ে ওঠে রিপাবলিকান দলের প্রতীক।
রাষ্ট্র ও সমাজে গির্জার তীব্র প্রভাব থেকে মুক্তির জন্য খ্রিষ্টধর্ম সংস্কারের দাবি উঠে। পাঁচ‘শ বছরেরও আগে অর্থাৎ ১৫১৭ সালে মার্টিন লুথারের ক্যাথলিক চার্চের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আরম্ভ হয়। এই আন্দোলনের সাফল্যে প্রটেস্টান্ট ধর্মের উৎপত্তি ঘটে।

এতে পুরোহিত শ্রেণির বিত্তসম্পত্তি,ভোগবিলাস ও ভ্রষ্টাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ে। তাদের অন্যতম দাবি ছিল ঈশ্বরের বিকেন্দ্রীকরণ! মানে হলো-ব্যক্তি ও ঈশ্বরের মধ্যে পুরোহিত শ্রেণির দালালির কোনো প্রয়োজন নেই। মানুষের সরাসরি যোগাযোগ থাকবে ঈশ্বরের সাথে। বাইবেল পাঠ ও আরাধনার মাধ্যমে মানুষ নিজেই ঈশ্বরের সাথে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করতে পারবে। অর্থাৎ পোপেরও প্রয়োজন নেই।

প্রটেস্টান্ট পন্থাও কিন্তু খ্রিষ্টধর্মের অসারতার বিপরীতে খুব বেশি কিছু করতে পারেনি, সে লক্ষ্যও ছিল না। তবে সেই আন্দোলন ইউরোপের রেনেসাঁয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। সেই পুনর্জাগরণের ধারায় বিজ্ঞানের উত্থানই আজ ইউরোপে খ্রিষ্টধর্ম আস্তে আস্তে বিপন্ন হয়ে যাচ্ছে।

মানুষ জানতে চায়, সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে চায়। আর সেখানেই গণমাধ্যমের ভূমিকা। গণতান্ত্রিক সমাজে গণমাধ্যম নাগরিকের অধিকার রক্ষা করতে ভূমিকা রাখে তথ্য জগতে তার প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করে। নীতিনির্ধারক, আইনসভাসহ রাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গের সঙ্গে মানুষের যোগাযোগ ঘটাতে ভূমিকা রাখে গণমাধ্যম। গণমাধ্যমে প্রতিফলিত হয় দেশের আর্থসামাজিক অবস্থা। গণমাধ্যম পথ চলে গণমানুষের সাথে।

গত ৪৬ বছরে বাংলাদেশের গণমাধ্যম অনেক সংগ্রামের সঙ্গে তার স্বাধীনতা টিকিয়ে রেখেছে। নানা ঐতিহাসিক ঘটনায়, মানুষের অধিকার রক্ষায় সচেষ্ট থেকেছে। দুর্নীতি,সহিংসতার ইস্যুকে অনেক সময় গণমাধ্যমই সবার আগে মানুষের কাছে নিয়ে এসেছে। গণমাধ্যমের প্রতি মানুষের রয়েছে প্রবল আকর্ষণ। গণমাধ্যম আছে বলেই পৃথিবীর কোথায় কি ঘটছে আমরা তা মুহুর্তেই জানতে পারি। বহু দূরে ঘটেও সব কিছুই যেন ঘটছে আমাদের চোখের সামনে। তা সম্ভব হচ্ছে শুধুমাত্র গণমাধ্যমের কল্যাণেই। কিন্তু এই গণমাধ্যম আমাদের জন্য যেমন ইতিবাচক তেমনি নেতিবাচকও। তাই মানুষ হিসেবে নিজের বিচারবুদ্ধি দিয়ে আমাদেরকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে গণমাধ্যমের কোনো দিকগুলো দ্বারা আমরা প্রভাবিত হব।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর সময়ে পশ্চিমা শক্তির সাথে সমাজতান্ত্রিক শক্তির একধরনের টানাপোড়েন শুরু হয়, যা যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে স্নায়ূ যুদ্ধ নামে অধিক পরিচিত। স্নায়ূ যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে নব্বইয়ের দশকের শুরুতে স্যামুয়েল হান্টিংটন তাঁর ‘ক্ল্যাশ অব সিভিলাইজেশনস’ বইয়ে আগামী পৃথিবী নিয়ে ভবিষ্যৎ বাণী করেন যে, দুই পরাশক্তির আধিপত্যের দিন শেষ। দেশগুলো আর পরাশক্তির দিকে নিজেদের মেরুকরণ করবেনা। বরং নিজেদের সংস্কৃতির দিকে নজর দেবে। তখন ‘আপনি কোন পক্ষের সমর্থক?’ প্রশ্নের চেয়ে ‘ আপনি কে?’ এই প্রশ্নই মূখ্য হয়ে উঠবে।

বর্তমান পরিস্থতিতে এই দ্বিতীয় প্রশ্নটি এড়িয়ে যাওয়া প্রায় অসম্ভব। দেশের সাথে দেশের সংঘাত হবেনা! তাহলে প্রশ্ন হলো ভবিষ্যতের সংঘাত বাঁধবে কাদের মধ্যে? হান্টিংটন উত্তর দিয়েছেন, ভবিষ্যৎ পৃথিবীতে দেশের সাথে দেশের নয়, বরং সংঘাত শুরু হবে যার যার সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয়সত্তা টিকিয়ে রাখাকে কেন্দ্র করে। জাতির সঙ্গে জাতির, সংস্কৃতির সঙ্গে সংস্কৃতির, ধর্মের সঙ্গে ধর্মের।

পাঁচটি অংশে বিভক্ত এই বইয়ে তিনি ভবিষ্যৎ বিশ্বরাজনীতির রূপরেখা অঙ্কন করেছেন। প্রথম অংশে তিনি বলেছেন, বিশ্ব রাজনীতিতে দুই মেরুর পরিবর্তে একাধিক মেরুর ও একাধিক সংস্কৃতির আবির্ভাব ঘটবে। নতুন নতুন শক্তি মাথা তুলে দাঁড়াবে। যখন দেশগুলো শিল্পায়নে সমৃদ্ধ হবে,তখন আর পশ্চিমা সংস্কৃতির সাথে তাল মিলিয়ে চলা বা অনুসরণ করার প্রয়োজন থাকবে না। পশ্চিমা শক্তিকে এটা অবশ্যই স্বীকার করতে হবে, সারা বিশ্বে তাদের আধিপত্য ছড়িয়ে দেবার চেষ্টা অর্থহীন।

দ্বিতীয় অংশে তিনি নজর দিয়েছেন এশিয়ার দেশগুলো ও ধর্মের দিকে। শিল্পায়ন ও নগরায়নের ফলে মানুষ শহরমুখী হবে। প্রচলিত পরিবার ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে, মানুষ হয়ে পড়বে একা ও বিচ্ছিন্ন। এই বিচ্ছিন্ন মানুষগুলো ধর্মকে আঁকড়ে ধরবে। অর্থনীতিতে অগ্রসরমান দেশ, বিশেষ করে পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো পশ্চিমা সংস্কৃতি প্রত্যাখ্যান করে নিজেদের মূল্যবোধ ও সংস্কৃতি চর্চা শুরু করবে।

তৃতীয় অংশে তিনি দেখিয়েছেন, শক্তি ও আকারভেদে কীভাবে একদেশ অন্য দেশের ওপর প্রভাব বিস্তার করবে। বিশ্ব রাজনীতিতে একইরকম সংস্কৃতিমনা দেশগুলো একে অপরকে সাহায্য করবে। তখন ভিন্নমনা দুই সংস্কৃতির মধ্যে সংঘাত নিশ্চিত।

চতুর্থ অংশে তিনি পশ্চিমা শক্তির বিশ্ব জয়ের অভীপ্সা ও সম্ভাব্য সংঘাতগুলো তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। এই সংঘাত হবে সাংস্কৃতিকভাবে সমৃদ্ধশীল চীন ও ইসলামী রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে। কারণ তারা পশ্চিমা শক্তি ও সংস্কৃতি মেনে নেবে না।

শেষ অংশে হান্টিংটন বলেছেন, পশ্চিমা বিশ্বকে অবশ্যই তাদের সংস্কৃতি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেয়ার চিন্তা বাদ দিতে হবে। তিনি আরও সর্তক করছেন,পশ্চিমা দেশগুলোতে বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে যেভাবে পৃথিবীর বিভিন্ন সংস্কৃতির মানুষ ঢুকছে তাতে হয়তো একদিন নিজেদের সংস্কৃতি টিকিয়ে রাখাই একটা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

বর্তমান বিশ্ব রাজনীতির দিকে তাকালে হান্টিংটনের ভবিষ্যৎ বাণী সত্য বলে প্রতীয়মান হয়। পশ্চিমা শক্তি বিশ্বে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে। আবার উদীয়মান অর্থনৈতিক শক্তি যেমন চীন পশ্চিমা শক্তির সাথে টেক্কা দিচ্ছে। তারা পশ্চিমা ভাষা,সংস্কৃতি বর্জন করেছে। নিজেদের সংস্কৃতি ছড়িয়ে দিতে চাইছে অন্যদের মাঝে। ধর্ম নিয়ে সংঘাত লেগে আছে ফিলিস্তিন ও ইসরাইলের মধ্যে।

যুক্তরাষ্ট্র ইসলামী রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে সংঘাত বাড়াচ্ছে। আফ্রিকার দেশগুলোতে জাতিগত সংঘাত লেগে আছে। চীনে সংখ্যালঘু মুসলমানরা গৃহবন্দী হয়ে পড়েছে। মিয়ানমার একজাতি গঠন করতে রোহিঙ্গাদের দেশ ছাড়া করেছে।

উগ্র জাতীয়তাবাদী নীতি গ্রহণ করে রাজনীতিবিদরা ক্ষমতায় আসছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘আমেরিকা ফাস্ট’ নীতি গ্রহণ করে সফল হয়েছে। নরেদ্র মোদি পুনরায় ক্ষমতায় এসেছেন। একজাতি,এক ধর্ম,এক রাষ্ট্র গঠনের চেষ্টা চলছে। তাহলে সময়ের সাথে সাথে পৃথিবী কি হান্টিংটনের ভবিষ্যৎ বাণীর দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে?

রাতের পরে দিন আসে। দুঃখের পরে সুখ। হাসির পর কান্না আসে। কান্নার পর হাসি। জীবন মানেই হাসি কান্না। জীবন মানেই সুখ দুঃখ। পৃথিবী সৃষ্টির পর এ রীতিতেই চলছে সব। এ কারণেই দেখা যায় প্রবল প্রতাপশালী পরিবারের প্রভাবও এক সময় থমকে দাঁড়ায়। জমিদার পরিবারও একদিন হয়ে পড়ে নিঃস্ব। এক প্রজন্ম কিংবা দুই প্রজন্ম কোনরকমে প্রভাব ধরে রাখতে পারে। এরপর অর্থবিত্ত আর বৈভবের প্রভাবের সঙ্গে শক্তির প্রভাবও কমে যায়। একদিন দেখা যায়, যে ব্যক্তির কথায় গোটা গ্রাম চলতো, সেই ব্যক্তি হয়ে পড়েন অসহায়। সম্পদ নেই, তার প্রভাবও নেই।

পৃথিবীতে সম্পদ রয়েছে একই পরিমাণ। এমন তো নয়, পৃথিবীর আকার বছরে বছরে বাড়ছে। আর নতুন নতুন জায়গায় নতুন অধিপতিরা দায়িত্ব নিচ্ছে। তা নয় বলেই একই সম্পদ হাত বদল হচ্ছে। একেক জায়গা একেক সময় একেক জনের হচ্ছে। তারা ওই জমি কিংবা অর্থের কিছুটা সময়ের জন্য মালিক হন।

গল্প কেন প্রয়োজনীয় হয়ে ওঠে ? প্রচণ্ড ব্যস্ত পৃথিবীর মানুষ কেন গল্প পড়ে সময়ের অপচয় বলে ভাববে না? প্রশ্ন ছোট। উত্তর জটিল ও ব্যাখ্যা সাপেক্ষ। সে ব্যাখ্যায় যাওয়ার আগে বলি-পৃথিবীর অস্থিমজ্জায় নির্লজ্জের মতো সেঁটে আছে অভাব। খাদ্য,বস্ত্র,বাসস্থানের অভাব। চিকিৎসা,শিক্ষা,বিনোদনের অভাব। এই অভাব ঝেটিয়ে বিদায় করা যাচ্ছে না। কারণ,দর্শন, রাজনীতি, ইতিহাস, জীবন-সচেতনতার অভাবে ঝাড়ু ক্রমাগত দূরে সরে যায়। নাগালে আসে না। ফলে পৃথিবীতে এক শ্রেণির মানুষ সম্পদের পাহাড় গড়ে তার নিচে চাপা পড়ে। আরেক দল পেটের চামড়া পিঠে লাগিয়ে নির্জীব বেঁচে আছে। এই সুযোগে বহাল তবিয়তে ছড়ি ঘোরায় অন্যায়, অবিচার, শোষণের ‘ব্যবসাযন্ত্র’। এতে কী হয়? মনস্তাত্ত্বিক জটিলতা,মানসিক অশান্তি, ব্যক্তি ও সামাজিক সম্পর্কগুলোর দূরত্ব বাড়তে থাকে। যে পৃথিবী স্বর্গ হিসেবে গণ্য হওয়ার কথা,তা নরকের তাপে জ্বলতে থাকে।

পৃথিবীর এই যে পৌনঃপুনিক অসুখ, এ থেকে উত্তরণে গল্পের ভূমিকা ওষুধতুল্য। জীবনবোধের ওষুধ,মানসিক দৈন্যতা দূরীকরণের ওষুধ, রাজনৈতিক ও ব্যক্তি অধিকারবোধের ওষুধ,দার্শনিক প্রজ্ঞা ও ব্যবসাযন্ত্রের গুমোর জানার ওষুধ। সর্বপরি কল্যাণরাষ্ট্র গঠনে নিভৃতে কাজ করে যাওয়া এক গোপন ওষুধের নামই প্রয়োজনীয় এবং ওষুধতুল্য গল্প।

‘মোড়লগিরি যখন সমাজ সংস্কৃতির অংশ,তখন কি শিক্ষা, কি সাহিত্য আর কি শিল্প-সংস্কৃতি চর্চা,সবক্ষেত্রেই তার দাপট’, মোড়ল তৈরি হয় চিন্তাকে নিয়ন্ত্রণে রাখা, করপোরেট মতাদর্শ নির্মাণ করা, রাষ্ট্র ও সমাজের নীতিনির্ধারক মহলের অনুগত শ্রেণি তৈরি করা। একই পথে এই অস্থির সময়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ জীবন ও রাষ্ট্রব্যবস্থার ভ্রুণের স্বপ্ন দেখায়।

গল্পে রয়েছে বিপ্লবী চেতনা,ব্যক্তিমনের গহীন অন্ধকার, কুসংস্কারের শিকড় উপড়ে ফেলার যুক্তি, একান্ত প্রেম ও পরিপার্শ্ব, মানুষের অন্তর্গত বেদনার ফুল,সাংসারিক সূত্র, জন্ম-মৃত্যুর দার্শনিক ইঙ্গিতময়তা,কাব্যিক হাহাকার, স্বার্থতান্ত্রিক সমাজের কালিঝুলি, আত্মকেন্দ্রিকতা,ইতিহাস সচেতনতা ও ভোগবাদের দুর্গন্ধযুক্ত বিষফোঁড়া।

আমরা স্বাধীন পতাকাতলে বেড়ে উঠেছি, কিন্তু আমরা কি আদৌ স্বাধীনভাবে উড়তে পারছি? নৈতিক অবক্ষয় কাটিয়ে এখনই রুখে দাঁড়ানোর সময়।

সংবাদটি শেয়ার করুন »

আপনার মন্তব্য লিখুন

সম্পাদকের কলম : আরো পড়ুন