সুদর্শন ও ধনী পুরুষদেরই সঙ্গী হিসেবে পছন্দ তাদের!

Uncategorized ডেস্ক
প্রকাশিতঃ নভেম্বর ১, ২০২০ , ১২:৫৪ অপরাহ্ন

বছরের শেষের দুই মাস মানেই বিয়ে আর হই-হুল্লোর। সামনেই শীত, আসছে বিয়ের মৌসুম। এ বছর যারা বিয়ে করার কথা ভাবছেন, তারা কেমেন বউ চান সেটি না ভেবে বরং নিজের গুণগুলো ঠিক আছে নাকি মিলিয়ে নিন।

অনেকেই বলেন, তার জীবনসঙ্গীকে সুদর্শন, লম্বা, ভালো পরিবারসহ আর্থিকভাবে ধনী হতে হবে। অনেক নারীরই এমন মতামত। তবে বাস্তবতা হচ্ছে পুরুষের শারীরিক সৌন্দর্য থেকে নারীকে বেশি আকৃষ্ট করে তাদের পুরুষালী গুণাবলী। পুরুষকেও জানতে হবে কোন বিষয়গুলো নারীর কাছে আপনাকে আকর্ষণীয় করে তুলতে পারে-

> প্রথম গুণাবলীর মধ্যে পড়ে পরিপাটি, পরিচ্ছন্নতা। আপনি হয়ত অনেক লম্বা কিন্তু উচ্চতা সত্যিই নিজেকে উপস্থাপন করার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় না। মূল বিষয় হচ্ছে আপনি নারীর সামনে নিজেকে কীভাবে উপস্থাপন করছেন।

আপনাকে যথেষ্ট সতর্ক থাকতে হবে প্রথম দেখা করার সময়। হতে হবে নিজের প্রতি যত্নশীল। মনে রাখবেন এলোমেলো চুল, নোংরা নখ, দুর্গন্ধযুক্ত মোজা, কালি ছাড়া জুতা, শার্ট বা জিন্সে দাগ এসব কিছুই হতে পারে আপনাকে অপছন্দ করার অন্যতম কারণ।

> অবশ্যই আপনার সেন্স অব স্টাইল থাকতে হবে। খুব দামী কাপড় পরে নারীর সামনে যেতে হবে এমন কোনো কথা নেই। তবে পোশাকটি অবশ্যই ফ্যাশনেবল এবং আধুনিক ডিজাইনের হতে হবে। সেই সঙ্গে লক্ষ্য রাখতে হবে, যেন পোশাকে আপনি সাবলিল থাকতে পারেন। এতে আপনার ব্যক্তিত্বের প্রকাশ ঘটে।

> সেন্স অব স্টাইলের পাশাপাশি আপনার সেন্স অব হিউমার থাকাটাও গুরুত্বপূর্ণ। নারীর গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো, তারা পুরুষের বিচারবুদ্ধি সম্পন্ন রসবোধের বিষয়টি উপভোগ করে। তবে মজা করতে গিয়ে যেন এমন কিছু বলা বা করা যাবে না যা অন্যকে উপহাস করে বা ভদ্রতার সীমা ছাড়িয়ে যায়।

> নারীর প্রতি সবসময় যত্নশীল হতে হবে। ধরুন রাস্তা পার হচ্ছেন- আপনার দায়িত্ব হচ্ছে নারী সঙ্গীটিকে নিরাপদে রাস্তা পার হতে সাহায্য করা। কখনোই তাকে পেছনে ফেলে নিজে এগিয়ে যাবেন না। কোন জায়গায় ঘুরতে যাবেন বা কী খাবেন সব বিষয়েই তার পছন্দের গুরুত্ব দিন।

> নারী সঙ্গীর প্রতি মুগ্ধতা দেখান। বাইরে যাওয়ার সময় তার সাজের প্রশংসা করুন। নারী সঙ্গীর দেয়া উপহার সানন্দে গ্রহণ করুন। তার রান্নার প্রশংসা করুন। কখনো যদি পছন্দ মতো নাও হয়, কোনো ভাবেই বিরক্তি প্রকাশ করা যাবে না।

> অনেক পুরুষের বৈশিষ্ট হচ্ছে তারা খুব অল্পতেই ক্ষিপ্ত হয়ে যায়। আবার খুব সহজেই রাগ কমে যায়। পুরুষের কাজ হবে, কিছুটা সময় শান্ত থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং শান্তিপূর্ণ রাখা।

> নারীকে সম্মান করতে হবে। অনেকের মাঝে নারীকে হেয় করে কথা বলার প্রবণতা দেখা যায়। তবে নারীও মানুষ সে পুরুষের সমান গুরুত্ব এবং সম্মান পাওয়ার অধীকার রাখে।

সংবাদটি শেয়ার করুন »

আপনার মন্তব্য লিখুন

Uncategorized : আরো পড়ুন